১লা পৌষ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

December 15, 2019, 5:18 am

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে মোবাইল নেটওয়ার্কে চরম বিড়ম্বনা; উম্মুক্ত নেটওয়ার্কের দাবি

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ দেশের সর্ব উত্তরে পঞ্চগড়ের অবস্থিত তেতুঁলিয়ার বাংলাবান্ধাস্থলবন্দরটিতে মোবাইল নেটওয়ার্কের সমস্যা কাটছেনা কোন ভাবেই। ফলে স্থলবন্দরটিতে সামগ্রিক কাজে গতিশীলতা আসছেনা। এছাড়া কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের কর্মকতা-কর্মচারী সহ আমদানীকারক-রপ্তানীকারক সহ চরমদুভোর্গে পর্যটকরা।
জানা যায়, ১৯৯৭ ইং সালের ১ সেপ্টেম্বর নেপালের সাথে বাংলাদেশের বানিজ্য কার্যক্রম শুরু হয়।এদিকে দর্ীঘসূত্রিতায় এরপর ২০১১ ইং সালের ২২ জানুয়ারী এ স্থল বন্দর দিয়ে ভারতের সাথে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয় বানিজ্য কার্যক্রম। এর পরে নানা চড়াই উৎড়াই পার করে অবশেষে ২০১৬ সালর ১৮ ফেব্রুয়ারি এই বন্দর দিয়ে চালু হয় ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা। মানুষ যাতায়াতের দ্বার উম্মোচিত হয়। এখন প্রায় প্রতিদিন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ২০০ থেকে ৫০০ শত মানুষ যায়-আসে।
এছাড়া পরবর্তীতে ত্রি-পাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির প্রায় ২০ বছর পর ২০১৭ সালের ১ লা জানুয়ারী পর বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ভুট্রানের সাথে শুরু হয় পণ্য আমদানী রপ্তানী। যা এখন চালু আছে।এদিকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর সুত্রে জানা যায়, এবন্দর দিয়ে ভারত, নেপাল ও ভূটানে প্রাণ জুস, আরএফএল এর প্লাস্টিক পণ্য, রহিম আফরোজ ব্যাটারী, বিভিন্ন কোম্পানীর ঔষধ, পাট ও পাটজাত পণ্য, চিপস, আলু,ভূট্রা, ফেব্রিক্স, রানার গ্রুপের মোটরসাইকেল, টিস্যু এবং সফ্ট ড্রিংকস রপ্তানি হয়।অপরদিকে ভারত থেকে পাথর, নেপাল থেকে মসুর ডাল,ভূষি, নিউজ প্রিন্ট, জুস, রিঠা ফল (সাবান তৈরির কাচঁামাল), হাজমোলা সহ অন্যান্য আমদানি যোগ্য পণ্য আমদানি করা হয়।
অথচ দেশের অতি গুরুত্বপূর্ন বাংলাবান্ধাস্থল বন্দরে নেই পূনার্ঙ্গ মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা। এদিকে ধরনের জন দূভোর্গের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে মিডিয়া সহ নানা ভাবে প্রচার হলে সম্প্রতি একমাত্র টেলিটকের নেটওয়ার্ক চালু করা হলে পুরোপুরি সমস্যার সমাধানের আওতায় আসেনি। কারন হিসেবে বিদ্যূত চলে গেলেই টেলিটকের নেওয়ার্ক থাকেনা। এতে বিড়ম্বনার অন্ত নেই।এমন কথা বললেন, কাস্টমসের একজন রাজস্ব কর্মকতার্। সব দেশেই তো বানিজ্যিক সব নের্টওয়াক চালু আছে সব জায়গায় সব স্থানে। বাংলাবান্ধা আবার কি হলো। বিদ্যূত গেলো তো অমনি নেটওয়ার্ক নাই। এটা একটা কথা হলো। বড় ঝামেলায় আছি ভাই এই মোবাইল নেটওয়ার্ক নিয়ে।
অন্যদিকে প্রতিকুল আবহাওয়া দেখা দিলে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যূতহীন হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। আমদানী-রপ্তানীকারক মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, শুধুমাত্র টেলিটক মোবাইল নেটওয়ার্ক দিয়ে কি এই বড় স্থলবন্দরটি চলে। তিনি বলেন, এটি একটি সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। গ্রামীণ ফোন সহ সব মোবাইল কোম্পানীর নেটওয়ার্কের আওতায় বাংলাবান্ধাস্থলবন্দরটিকে আনা অতি জরুরী।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর