২৬শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

December 10, 2019, 4:00 pm

প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা ও উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা প্রেক্ষিত-বাংলাদেশ

মোঃ আরিফুজ্জামান

উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও আধুনিকায়ন বর্তমান সময়ের দাবী হিসেবে বিবেচিত। জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের জন্য জনসম্পদ উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বর্তমানে মানসম্মত শিক্ষাকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। গুণগত ও মানসম্পন্ন প্রাথমিক শিক্ষা পরবর্তী শিক্ষার মূল ভিত্তি। বিশ্বের অন্যান্য দেশে প্রাথমিক শিক্ষাকে গুরুত্ব প্রদান করা হয় সবচাইতে বেশি। শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তির উপর নির্ভর করে পছন্দমত পরবর্তী শিক্ষার ধারাকে বেছে নেন। কারিগরি, বিজ্ঞান, কলা বা বাস্তবমূখী শিক্ষার মাধ্যমে তারা নতুন প্রজন্মকে আগামী দিনের উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে। বাস্তব এ চিত্রকে সামনে রেখেই বাংলাদেশকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধিতে সার্বিক প্রয়াস চালাতে হবে।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা হলো ভবিষ্যত আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংক্রান্ত একগুচ্ছ লক্ষ্যমাত্রা। যার মূল বৈশিষ্ট হলো No one Left Behind। জাতিসংঘ কর্তৃক প্রণিত টেকসই উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে ১৭ টি অভিষ্টকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০১৫ সালে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) কে প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে। ১৭ টি অভিষ্ট/লক্ষ্যমাত্রার সাথে সাথে ১৬৯ টি সুনিদিষ্ট লক্ষ্য ও ২৩২ টি পরিমাপক (Indicators) রয়েছে। যার মধ্যে ৪ নম্বর অভিষ্ট হল- মানসম্মত শিক্ষা (অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতা ভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা , সবার জন্য আজীবন শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা )। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সরকার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে স্বল্প মেয়াদী এবং দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন পূর্বক তা বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গুণগত পরিবর্তনে সরকারের পদক্ষেপ :

বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত। যেমন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইংরেজি মাধ্যম প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ভিত্তিক এবতেদায়ী ও কওমী শিক্ষা ব্যবস্থা ও এনজিও পরিচালিত প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা, বে-সরকারি ও প্রি-ক্যাডেট প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা। প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন ও গুণগত পরিবর্তনের জন্য সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। যার শুরুটা হয়েছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরেই। ১৯৭৩ সালে ৩৬১৬৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রযাত্রার শুভ সূচনা করেছিলেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে প্রায় ২৬০০০ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একযোগে জাতীয়করণ করেন। এছাড়ও কয়েক শত এবতেদায়ী মাদ্রাসাকে এমপিও এর আওতায় আনায়ন করেন। প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের গৃহীত আরোও পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে তিন দফার প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি। এ কর্মসূচিতে বছরের প্রথম দিনই শিক্ষার্থীদের হাতে রঙ্গিন বই হাতে তুলে দেওয়া, উপবৃত্তি কার্যক্রম, সরকারি বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরী নিয়োগ, স্টুডেন্ট কাউন্সিল গঠন প্রভৃতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মানসিক বিকাশ ও খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট করতে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট সহ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে বিভিন্ন ধরনের পাঠ প্রতিযোগিতা, কুইজ প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শিক্ষকদের নতুন পদ সৃষ্টিসহ বিপুল সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ, প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি চালুকরণসহ শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা ‍উপকরণ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে যা প্রশংসার দাবী রাখে। প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের ব্যবস্থাকরণ, ডিজিটাল হাজিরার প্রচলন করা হয়েছে। যার ফলোশ্রুতিতে প্রাথমিক শিক্ষায় গমনোপযোগী প্রায় শতভাগ শিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি সম্ভব হয়েছে। প্রাইমারি এডুকেশন ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট (পিইডিপি-৩) এর আওতায় সারা বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের নতুন ভবন নির্মাণসহ ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে।

প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গমনোপযোগী দেশের সব শিশুকে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে স্কুল মিল নীতির আওতায় নিয়ে আসতে অতিসম্প্রতি “জাতীয় স্কুল মিল নীতি ২০১৯” এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রীসভা। এ নীতিমালার আলোকে এক কোটি চল্লিশ লক্ষ শিশুকে স্কুল মিলের আওতায় আনা হবে মর্মে ধারনা করা হচ্ছে। ক্লাসসমূহে মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার, বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা উপকরণ এর মাধ্যমে শিক্ষা প্রদান, স্কুল মিল চালুকরণ, স্কুল ড্রেস প্রদান ও উপবৃত্তি প্রদানসহ বিভিন্ন ধরনের সময়োপযোগী পদক্ষেপের মাধ্যমে ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। এ কার্যাক্রম শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধিসহ গ্রাম ও শহর, ধনী ও গরীবের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে শিক্ষার মানের ব্যবধান কমাতে সাহায্য করছে। যার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অভিষ্ট-৪ এর প্রতিশ্রুতি মানসম্মত শিক্ষা (অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতা ভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা , সবার জন্য আজীবন শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা ) নিশ্চিত করতে সরকার সক্ষম হচ্ছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পরিচালিত বার্ষিক প্রাথমিক স্কুল জরিপ তথ্যানুযায়ী, ২০০৫ সালে ঝড়ে পড়ার হার ছিল ৪৭ দশকি ২ শতাংশ, ২০০৬ সালে ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ, ২০০৭ সালে ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ, ২০১০ সালে ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশ, ২০১২ সালে ২৬ দশমিক ২ শতাংশ। সবশেষ ২০১৮ সালে প্রাথমিকে ঝড়ে পড়ার হার ছিল ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ। এসব জরিপ তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, গত এক দশকে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ঝড়ে পড়ার হার অর্ধেকেও বেশি কমে এসেছে। মূলত শেখ হাসিনা সরকারের সময়োপযোগী নানা পদক্ষেপের কারণে এই সাফল্য এসে ধরা দিয়েছে। সমৃদ্ধ ও উন্নত আগামীর বাংলাদেশ বির্নিমানে প্রাথমিকে ঝড়ে পড়ার হার আগামী কয়েক বছরের মধ্যে শুন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার।

 লক্ষ্য অর্জনে চ্যালেঞ্জসমূহঃ

প্রথমতঃ বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মানোন্নয়ন ও উৎকর্ষ সাধনে মূল চ্যালেঞ্জ হলো ক্ষুধা ও অপুষ্টি। পেটে ক্ষুধা নিয়ে একটি শিশু কখনও পড়াশোনায় ভালোভাবে মনোযোগ দিতে সক্ষম হয় না। 

দ্বিতীয়তঃ প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় নিয়মিত স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যার কারণ দরিদ্রতা, স্বাস্থ্য হীনতা, স্কুল ভীতি ও অভিভাবকদের অসচেতনতাকে মূলত দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। 

তৃতীয়তঃ যুগোপযোগী ও মানসম্মত পাঠদান পদ্ধতির অভাব। যুগপযোগী ও মানসম্মত পাঠদানের অভাবে কাংখিত পর্যায়ের ফলাফল ও শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। 

চতুর্থতঃ শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশে অভিভাবক ও শিক্ষকদের আন্তরিকতার অভাব রয়েছে। যার ফলে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা গ্রহণের বিষয়টিকে অনেক ক্ষেত্রে আনন্দের সাথে গ্রহণের পরিবর্তে তাদের মাঝে ভীতির সঞ্চার করছে। 

পঞ্চমতঃ প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে শিশু বান্ধব পরিবেশ ও অবকাঠামোর অভাব রয়েছে। ষষ্ঠতঃ প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সচেতন সমাজের দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে ঘাটতি পরিলক্ষিত হচ্ছে।

চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পদক্ষেপ :

জাতীয় স্কুল মিল নীতিমালা-২০১৯ অনুযায়ী “ তিন থেকে বারো বছর বয়সী শিশুদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় শক্তি চাহিদার ন্যূনতম ৩০ শতাংশ স্কুল মিল থেকে নিশ্চিত করা হবে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ মানসিক বিকাশ দ্রুত সাধিত হবে। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চত করার জন্য সরকার শিক্ষকদের মাধ্যমে হোমভিজিট, ডিজিটাল হাজিরা, উপবৃত্তি প্রদান এবং ক্লাসসমূহকে আনন্দদায়ক করাসহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত কল্পে সরকার কতৃক গৃহীত পদক্ষেপের পাশাপাশি আরোও সময়োপযোগী কার্যক্রম গ্রহণের অবকাশ রয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষায় পাঠদান পদ্ধতির উন্নয়নকল্পে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষকদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। যার মাধ্যমে শিশুদের উপযোগী পাঠদান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। যাতে শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষা গ্রহণ বিষয়টি ভীতিকর না হয়ে আনন্দদায়ক হবে, সেলক্ষ্যে সরকার নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করছে। প্রাথমিক শিক্ষার অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্য সরকার নতুন ভবন নির্মাণ করছে। ফলে শিক্ষার্থীরা একটি নিরাপদ পরিবেশে পাঠ গ্রহণ করতে সক্ষম হবে। এ প্রক্রিয়া আরোও ত্বরান্বিত করার সুযোগ রয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সমাবেশ আয়োজন করা হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শেখ হাসিনা সরকারের গৃহীত উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ সমূহের মধ্যে রয়েছে বছরের শুরুতে প্রতিটি স্কুলে ক্যাচমেন্ট এলাকাভিত্তিক শিশু জরিপপূর্বক ভর্তি নিশ্চিত করা, নিয়মিত মা সমাবেশ, উঠান বৈঠক, হোম ভিজিট কার্যক্রম, বছরের শরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই বিতরণ, স্কুল ফিডিং কার্যক্রম গ্রহণ ও উপবৃত্তি প্রদান কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক গুণগতমানোন্নয়ন ও উৎকর্ষ সাধন। যা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন কল্পে শিক্ষা বিভাগ সংশ্লিষ্ট সকলকে আরোও বেশি আন্তরিক হতে হবে। সর্বোপরি শিক্ষক অভিভাবকদের সচেতনতা ‍বৃদ্ধির লক্ষ্যে মা সমাবেশ, উঠান বৈঠক, সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিতকল্পে এসএমসি কমিটির নিয়মিত সভা আয়োজন করা যেতে পারে।

শিক্ষার গুণগতমানোন্নয়নে প্রস্তাবনা :

১। শিক্ষা পদ্ধতিকে আনন্দদায়ক করে তোলার মাধ্যমে পাঠ্য বই এর প্রতি আগ্রহী করে গড়ে তোলা যেতে পারে।

২। প্রাক-প্রাথমিককে জনপ্রিয় করে তোলার জন্য শিক্ষা উপকরণকে আরোও সুলভ করা যেতে পারে।

৩। টিফিন বাটি প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পুষ্টির ঘাটতি মোকাবেলা করা যেতে পারে।

৪। শিশু বান্ধব শ্রেণিকক্ষ ও পাঠ্য পুস্তক এর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যেতে পারে।

৬। শিক্ষকদের শিশুবান্ধব পাঠদানে উপযোগী, আন্তরিক ও দক্ষ শিক্ষক প্রস্তুতের লক্ষ্যে শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান আরোও ত্বরান্বিত করা যেতে পারে।

৭। শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূর করার মাধ্যমে সমাজে শিক্ষকদের মর্যাদার উন্নয়ন সাধন করা যেতে পারে।

৮। শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জবাবদিহীতা আরোও বেশি নিশ্চিত করা যেতে পারে।

৯। এসএমসি এর জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরা এবং এসএমসির কার্যক্রম যথাযথভাবে তদারকি নিশ্চিত করা যেতে পারে।

১০। সর্বোপরি প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা যেতে পারে।
লেখকঃ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর