২১শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

April 4, 2020, 4:51 am

পঞ্চগড়ে ব্যবসায়ি ও মিল মালিকদের কারসাজিতে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ ব্যবসায়ি ও মিলাররদের কারসাজিতে সাধারন মানুষের পকেট থেকে লাখ লাখ টাকা বের করে নিচ্ছে ব্যবসায়ি ও মিল মালিকরা। গত এক মাসের ব্যবধানে দু ’দফায় বাড়লো চালের দাম। করোনা ভাইরাসের প্রার্দূভাবে এক লাফেই চালের দাম বেড়েছে কেজি ৪ থেকে ৫ টাকা। এর আগে বেড়েছে ৩ টাকা থেকে ৪ টাকা প্রতি কেজিতে। এই দু’দফায় চালের মুজুদ রেখে কেজিতে ৭ থেকে ১০ টাকা হাতিয়ে নিলো এই সক্রিয় চক্রটি।
মিনিকেট প্রতি কেজি ছিলো ৪২ টাকা। এখন মিনিকেট ৫০ থেকে ৫২ টাকা। র্স্বণপারি ছিলো ৩৪ টাকা। এখন স্বর্ণপারি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা।গুটি চাল ছিলো ৩০ টাকা। এখন গুটি চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৭ টাকা।জেলা প্রশাসনের নজরদারি চালের বাজারে প্রভাব ফেলেনি। একজন খুচরা বিক্রেতা বললেন ‘ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বাজার তদারকিতে মাত্র ৫০ কেজি বস্তায় কমেছে ৫০ টাকা। যেখানে র্স্বণপারি ছিলো ৫০ কেজির বস্তা ১০৫০ টাকা। সেই র্স্বনপারি আজ মঙ্গলবার বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকা। তিনি বলেন ‘ ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেছি ‘ আমাদের ধরে কী হবে’ মিলার অটো মিলারদের ধরেন। পঞ্চগড় জেলায় ৪/৫ টি অটো রাইস মিল আছে তারাই এখন বাজার নিয়ন্ত্রন করছেন। গেলো আমন মৌসুমে শত শত টন ধান কিনে তারা মুজুদ করে ‘ এখন মিল চালাচ্ছে। সে সময় প্রতি মন ধান বাজারে বিক্রি হয় মাত্র ৫৫০ টাকা থেকে ৫৮০ টাকা। এখন বাজার দর বেশি দেখিয়ে এবং ‘করোনা ভাইরাসের সুযোগ নিয়ে চালের দর আকাশে তুলেছে মিল ও অটো রাইস মিলাররা। অথচ কৃষকের ঘরে এখন ধান নেই বললে চলে। অনেকের ধারনা শতকরা ১০% কৃষকের ঘরে ধান আছে কিনা’ সন্দেহ।
চাল ব্যবসায়ি ও মিলারদের দাবি ধানের বাজার খুব চড়া। তাদের মতে’ ধান এখন প্রতিমন ৮ শত টাকা থেকে ৯০০ টাকা। কিন্তু এটা আমন ধান ক্রয়ের মৌসুম নয় এবং এই বাজারে ধান কিনে মিল চালানো কঠিন। কারন হিসেবে জানা গেছে ‘ একটি অটো রাইস মিল একবার চালু করলে না হলেও ‘ ৩ শত টন ধান লাগে। কারন সে সময় শ্রমিক ও থাকে তাতে খরচ আছে। হঠাৎ করে অটো রাইস মিল বন্ধ করে রাখলে তা হবে লোকসানের কারন।ব্যবসায়ি ও মিলাররা ক্লান্তিকাল সময়ে এ হেন দূরভিসন্ধিমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে দু ’দফায় জেলার প্রায় ১০ লাখ মানুষের পকেট থেকে কোটি কোটি টাকা অনায়াসে নিয়ে নিচ্ছে। ‘যা মরার গায়ে খরার ঘা।বাজারে আসা দিন মুজুর রইস উদ্দীন ‘ বললেন বাবা কি করবো সারা দিন কাজ করে কয়টাকা পাই’। দেখেন দেখি চালের বাজার এক লাফে ৫ /১০ টাকা করে বারি গেছে’। এখন তো আবার করোনার খবর তোমরালা’ একটু লেখা লেখি করো’।পঞ্চগড়ে আমন ধান মৌসুমের পর চালে বাজারে কোন রকম অস্থিরতা ছিলো না। গত এক দেড়মাস আগে হঠাৎ করে চালের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। কেজিতে বাড়ে ২/৩ টাকা। এখন আরেক দফায় বেড়ে সেই চাল ৭/১০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর