৩১শে ভাদ্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

September 15, 2020, 12:16 am

শালিস বিপক্ষে যাওয়ায় তেঁতুলিয়ায় ইউপি সদস্যর উপর প্রকাশ্যে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় ফজলুলহক (৬২) নামে এক সদস্যর উপর অর্তকিত হামলার ঘটনা ও তার প্রাণ নাশের হুমকি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকারমৃত লোকমান আলীর পুত্র ইকবাল হোসেন (৩৬),আলী আকবর (৫০) ও হবিবরর হমান হবি (৪২) এবংআলী আকবরের পুত্র লেমন (২০), ইসলামআলীর ছেলে আব্দুররহমান (৩২),মৃত তমিজ উদ্দীনের পুত্র আব্দুল কুদ্দস (৭০) ও তার পুত্র আবু হানিফ (৩৮),মৃতআর্শেদ আলীর পুত্র আব্দুল আজিজ (৪২),মৃত সোহরাব আলীর পুত্র আব্দুল করিম (৪৫)এবং কাজীগছ এলাকার মৃত ইসমাঈল হোসনের পুত্র তাহের আলী (৫৫) ও তারপুত্র আবুল হাসানের বিরুদ্ধে।ফজলুল হক উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য এবং ঐ এলাকার মৃত মকবুল হোসেনের পুত্র।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, গত ০৩ সেপ্টেম্বর রাতে তেঁতুলিয়া থানায়কাজীগছএলাকারসিরাজআলী ও তাহের আলীর মধ্যেকার জমি বিরোধ নিয়ে একটি সালিসে বসেন ইউপি সদস্য ফজলুল হক। এ সময় জমি বিরোধের রায় তাহের আলীরবিপক্ষে গেলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে চলে যায়। পরে শালবাহান রোড বাজারে তাহের ও তার ছেলে আব হাসান ইউপিসদস্য ফজলুলকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রকাশ্যে প্রান নাশের হুমকি প্রদানকরে। এরই জেরে গত ০৪ সেপ্টেম্বর রাতে শালবাহান রোড বাজার হতে বাড়ি ফেরার পথে ফজলুল হক,তার ছেলে ও জামাতা জসীমউদ্দীনের উপর তাহরের পরামর্শে একই এলাকার ইকবাল ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা অর্তকীত হামলাকরে এলোপাথারীমারধর শুর ুকরে । এ সময় ফজলুল হকের চিৎকার চেঁচামেচিতে স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে এলে ইকবাল ও তার সাঙ্গ পাঙ্গরা পালিয়ে যায়। এ সময় ইকবাল অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলতে থাকে, এবারের মত বেঁচে গেলি,পরে তোকে দেখে নিবো। তুই কত বড় মেম্বার হইছিস তোর মেম্বারী ছুটায় দিবো।
এ ঘটনার পর থেকে ইউপি সদস্য ফজলুলহক নিজের ও তার পরিবারের সদস্যদের জীবন নিয়ে খুব আতঙ্কে আছেন।
ইউপি সদস্য ফজলুলহক জানান,আমি দীর্ঘ ২২ বছরযাবৎ এই ওয়ার্ডের মেম্বার হিসেবেদ্বায়িত্ব পালনকরছি। কোন দিন কারো সাথে বিবাদে জরাইনি । কিন্তু গত কয়েক দিনআগে একটি জমিজমা সংক্রন্ত শালিশের জেরে আবু তাহের ও তার পুত্র আব ুহাসান আমাকে ও আমার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এমতাবস্থায় আমি নিজেকে খুব নিরাপত্তাহীন মনে করছি। এ নিয়ে আমি তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও চেয়ারম্যান, জেলাপ্রশাসক,পুলিশ সুপারএবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বরাবরে লিখিতঅভিযোগকরেছি।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম জানান,এবিষয়ে আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ইতিমধ্যে এ অভিযোগের সত্যতাওমিলেছে। আমরা তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর