,

সুনামগঞ্জরে হাওরে আনন্দরে মাঝওে হতাশায় কৃষক

সাইফ উল্লাহ, হাওর থকেে ফরি:ে:

বশৈাখী ঝড় ও আগাম বন্যার  হতাশায় নয়িইে এবার হাওররে কৃষক, কৃষাণীর বশৈাখ আনন্দ। গত বছররে পাহাড়ি ঢলে বাঁধ ভঙেে সকল হাওরে বোরো ধান তলয়িে যাওয়ায় এবার আগইে ফসল তুলতে শুরু করছেনে কৃষক। তারা এখন ধান কাটতে ব্যস্ত সময় পার করছনে।
> দরিাই উপজলোর নাচনী হাওর পাড়রে কৃষক জাবদে নুর বলনে, গত দুইবছর ফসল হারয়িে আমরা আসলইে হতাশ হয়ে পড়ছেলিাম। এবার অনকে কষ্টে টাকা জোগাড় করে গৃহস্থি করছে।ি আল্লাহর রহমতে সবুজ ধানে লাল রং ধরছে।ে আমরা ধান কাটা শুরু করছে।ি ধানে পাকা রং দখেে আমাদরে হতাশাগ্রস্ত মনে আনন্দ ধারা বইছ।ে যদি ফসল ভালোভাবে ঘরে তুলতে পারি তাহলে এবার গত দুই বছররে ধার করা টাকা দয়িওে আয় করতে পারব।
কালয়িা কোটা হাওর পাড়রে বাসন্দিা শাহ আলম দ্বীপ বলনে, হাওররে সবুজ ধানে লালচে রং ধরছে।ে আমরা ধান কাটা শুরু করছে।ি হাওররে ধান প্রায় সবই পাকা শুরু হয়ছে।ে তবে বরৈী আবহাওয়া নয়িে হতাশায় আছ।ি প্রকৃতি অনুকূলে থাকলে ১০-১২ দনিরে মধ্যে আমাদরে সোনালী ফসল ঘরে উঠব।ে
সরমঙ্গল ইউনয়িন পরষিদরে চয়োরম্যান ও উদগল হাওরপাড়রে গৃহস্থ এহসান চৌধুরী বলনে, হাওররে সবুজ ধানরে পাকা রং দখেে কী যে আনন্দ সটো ভাষায় প্রকাশ করা যাবনো। এবার ধানরে বাম্পার ফলন হয়ছে।ে যদি সহি সালামতে ধান বাড়তিে আনা যায় তবে গত দুই বছররে ফসল হারানোর বদেনা অনকেটা লাঘব হব।ে
অন্যদকিে সংশয় নয়িে সদর উপজলো দখোর হাওররে কৃষক জামলি আহমদে বলনে, এখন আকাশরে পানে চয়েে থাকি কখন কালো মঘে ভাস।ে ভয় হয় যখন ঝড় আস।ে সইে সঙ্গে বৃষ্টি ও শলিা পড়লে তো আর ফসলরে রক্ষা নাই।
জগন্নাথপুর উপজলোর কৃষক আফজাল বলনে, এবার বোরো ধানরে ফসল ভালো হয়ছে।ে তবে শ্রমকি সংকট রয়ছে।ে প্রকৃতি অনুকূলে থাকলে আমরা এবার বোরো ফসল ঘরে তুলতে পারবো। তনিি বলনে, গত বছররে ফসলহানতিে এবার ধান চাষ করতে গয়িে ঋণরে বোঝা বড়েছে।ে এই ফসলই এখন ভরসা। র্ধমপাশা উপজলো কৃষক এমদাদুল হক তালুকদার লটিু বলনে, আগে বোরো ফসল ঘরে তুলতে হব।ে পরে সারা বছররে খাওয়ার ধান রখেে বাকি ধান বক্রিি করে ঋণ পরশিোধ করতে হব।ে এ চন্তিা নয়িে ফসলরে মাঠ-েময়দানে আছ।ি তাছাড়া ফসল তলয়িে যাবার শঙ্কা তো আছইে। জলো কৃষি সম্প্রসারণ অধদিপ্তররে তথ্যমত,ে এবছর জলোয় মোট ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৯ হক্টের জমতিে বোরো ধান আবাদ করা হয়ছে।ে এর মধ্যে র্ধমপাশা উপজলোয় সবচয়েে বশেি ৩২ হাজার ৮৫০ হক্টের বোরো ধান আবাদ করা হয়ছে।ে
দোয়ারা বাজাররে কৃষক মারুফ বলনে আমি ১৫খানি জমি দনো করে রোপন করছেি গলে বছররে মত যদি ফসল হানি ঘটে না গয়েে মরতে হবে এদকিে দনো আর অন্যদকিে পরবিার। জামালগঞ্জে কৃষক আব্দুল মুকতি তালুকদার বলনে, পূবে এত বড় গজব হয়নী গলে বছরে যে ভাবে ফসল হানি হয়ছে।ে এবছরে আশা করি ভাল ফলন পাব তবে ধানে রোগ দখো দয়িছে।ে জামালগঞ্জ উপজলোয় হাওর রক্ষা বাধ খুব ভাল হয়ছে,ে এ কারণ আমাদরে ইউএনও মো.শামীম আল ইমরান সাহবে প্রতদিনি হাওরে গয়িে বাধ দখেছেনে তাই বাধ শক্ত ও ভাল হয়ছে।ে
মধ্যনগর থানার কৃষক বদ্যিুৎ কান্তি তালুকদার বলনে, সুনামগঞ্জ ১ আসনরে এমপি ইঞ্জনিয়িার মোয়াজ্জমে হোসনে রতন, চারটি থানায় প্রতটিি বাধরে কাজ পরদিশন করনে এবং আওয়ামীলীগরে নতো র্কমীরা হাওরে রয়ছেনে যার দরুন কাজরে গুনগত মান ভাল ও দৃশ্য মাণ হয়ছে।ে
তাহরিপুর উপজলোর শ্রীপুর ইউনয়িনরে কৃষক জাকরি হোসনে বলনে, আকাল বন্যায় আমাদরে পাকা ধান ক্ষতে পানরি নচিে তলয়িে যায়, এ বছর বাধরে কাজ ভাল হয়ছে।ে বশ্বিম্ভপুর উপজলোর কৃষক জাবদে নুর বলনে, পাহাড়ী এলাকা আমাদরে আগাম পানি আসইে ফসল তলয়িে যায় এ বছর পানরি ভয় নাই তবে গজব যদি না হয় তাহলে আল্লাহুর রহমতে ভাল ফলন উঠব।ে
দক্ষীণ সুনামগঞ্জরে কৃষক আলী হোসনে বলনে, আমরা কৃষক মানুষ কৃষি চাড়া উপায় নাই, তাই কৃষি ভরসা, মাঝে মধ্যে ধান শুকয়িে রয়ছে।ে
জামালগঞ্জ উপজলোর আওয়ামীলীগরে সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মাদ আলী বলনে, আওয়ামীলীগ সরকাররে পাশাপাশি বাধরে কাজ তদারকি করছে পাশাপাশি এ উপজলোয় বাধরে কাজ শক্ত ও মজবুত হয়ছে।ে
জলো কৃষি বভিাগরে উপ-সহকারি র্কমর্কতা ফরিোজ খান বলনে, কছিুটা ঝড় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলওে কৃষকরে চন্তিতি হওয়ার কছিু নইে। আর কছিুদনিরে মধ্যইে পুরোদমইে সব হাওরে ধান কাটা শুরু হয়ে যাব।ে##

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর