,

”জামালগঞ্জে সার ডিলারের স্বেচ্চাচারিতায় ৩ গ্রামের ১২’শ কৃষক সার পাচ্ছেনা”

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাঁক ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের খুচরা সার বিক্রয় ডিলার সানোয়ারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই ডিলারের চরম স্বেচ্ছাচারিতার কারণে ওয়ার্ডেও ৩ গ্রামের প্রায় ১২’শ কৃষক সার কিনতে না পারায় কৃষকদের কৃষি কাজ ব্যহত হবার চরম আশংকা দেখা দিয়েছে। গতকাল বিকেলে ওই ডিলারের রিবুদ্ধে উপজেলার ফেনারবাঁক ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড বাসিন্ধা কৃষক রহিছ উদ্দিন চৌধুরীসহ ২৭ জন কৃষক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাদের লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, সরকারী নীতিমালা অনুয়ায়ী ইউনিয়নের প্রতি ওয়ার্ডেই কৃষকদের সুবিধার জন্য এক জন করে খুচরা সার বিক্রয় ডিলার নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্ত ফেনারবাঁক ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ডিলার সানোয়ার হোসন নিজের ওয়ার্ডে ডিলারী না করে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে ৯ নং ওয়ার্ডে লক্ষীপুর বাজারে খুচরা সার ডিলারী করছেন। সার বিক্রয় ডিলার সানোয়ারের বাড়ি ওই ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের শান্তিপুর গ্রামে। তার নিজ গ্রামের অর্ধ কিলোমিটার দূরেই ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় সেলিমগঞ্জ বাজার। কি কারণে বা কার স্বার্থে পাশ^বর্র্তী বাজার সেলিমগঞ্জ বা নিজ ওয়ার্ড বাদ দিয়ে ৩ কিলোমিটার দূরে ৯ নং ওয়ার্ডে লক্ষীপুর বাজারে ডিলারী করেন এমন প্রশ্নে কৃষক ও সূধী সমাজেরর মুখে মুখে শুনা যাচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় পায়ে হঁেটে মাথায় বুঝা করে ওয়ার্ডের কৃষকরা সার আনতে লক্ষীপুর বাজারে গেলে সারা দিনের পরিশ্রমের পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতিতে চরম সংক্ষুব্ধ হচ্ছেন। আবার অনেক কৃষক সময়মতো ওই ডিলারকে না পাওয়ার কারণে সার ছাড়াই খালি হাতে বাড়িতে ফিরতে হচ্ছে। এর পূর্বে গত ২৯.১১.১৭ তারিখ একই অভিযোগে ওয়ার্ডের খান মো: মোজাম্মেল হক ডিলার সানোয়ারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি বলে জানান কৃষকরা।
অভিযুক্ত সার ডিলার সানোয়ারের কাছে কি কারণে নিজের ৫ নং ওয়ার্ডে ছেড়ে ৯ নং ওয়ার্ডে ৩ কিলোমিটার দূরে সার ডিলারের ব্যবসা করছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার ওয়ার্ডে কোন বাজার না থাকায় লক্ষীপুর ডিলারী করছি। তবে তার গ্রামের পার্শে^বর্তী বাজার সেলিমগঞ্জে ডিলারী করছেন না কেন জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, সেখানে ডিলার আছে সে জন্যই সেলিমগঞ্জ যাইনা।
এব্যাপারে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ড.সাফায়েত আহম্মদ সীদ্দিকী বলেন, সার বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রস্তাব করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আল ইমরান বলেন, অভিযোগের বিষয়টি আমি শুনেছি, উপজেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির মিটিংএ এব্যাপারে আলোচনা করে সিন্ধান্ত নেয়া হবে।

সাইফ উল্লাহ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর