,

সচিব পদমর্যাদায় পদোন্নতি পেলেন র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ

র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) গ্রেড-১ (সচিব পদমর্যাদা) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই পদোন্নতি দেয়া হয়। 
 
তিনি ১৯৬৩ সালে ১ অক্টোবর গোপালগঞ্জের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ সম্পন্ন করেন বেনজীর আহমেদ। তিনি ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮ সালে সপ্তম (বিসিএস) পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার পদে চাকরিতে যোগদান করেন। 
 
বেনজীর আহমেদ এসপি, কিশোরগঞ্জ; ডিসি নর্থ, ডিএমপি; প্রধান প্রশিক্ষক, পুলিশ একাডেমি; এআইজি, পুলিশ সদর দফতর; কমান্ড্যান্ট, পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার টাঙ্গাইল; ডিআইজি (প্রশাসন ও অপারেশনস্); পুলিশ কমিশনার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা এবং গত ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি হতে র‌্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতিপূর্বে তিনি বসনিয়া ও কসভোতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি জাতিসংঘ সদর দফতর, নিউ ইয়র্কে চিফ মিশন ম্যানেজমেন্ট এন্ড সাপোর্ট সার্ভিসেস হিসেবে এক বছর কর্মরত ছিলেন। তিনি দেশ ও বিদেশে কর্মরত থাকাকালীন অত্যন্ত সুনাম, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। তার কর্মদক্ষতায় তিনি আইজিপি এর এক্সজাম্পলারি গুড সার্ভিস ব্যাজেজ, জাতিসংঘ মেডেল বসনিয়া, কসেভো এবং জাতিসংঘ সদর দফতর প্রাপ্ত হন। 
 
এছাড়া তিনি বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম), ২০১১, ২০১২, ২০১৪ এবং ২০১৬ এ ভূষিত হন। তিনি দেশ বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। তিনি নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ, মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, সিংগাপুর হতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। তিনি ভারত, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, ভিয়েনা, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইউএসএতে বিভিন্ন সভা সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহুরুল হক হল এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি।  
 
বর্তমানে প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জঙ্গিবাদ দমনে বিশেষ করে হলি আর্টিজান হামলায় প্রাথমিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ নির্মূলে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। বেনজীর আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান ‘‘চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’’ অভিযাত্রাকে একটি সামাজিক আন্দোলনের রূপ দিয়ে বেগবান রেখেছেন মাদক বিরোধী অভিযান। এছাড়া সুন্দরবনের জলদস্যুতার অবসান ঘটিয়ে একটি স্বস্তির উপকূলীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদান রেখে চলেছেন। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর