তুরস্কের সহযোগিতায় বগুড়ায় ড্রোন তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বাংলাদেশ। জেলায় নির্মিতব্য আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশে এই কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরাত দিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তুরস্কের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বগুড়া বিমানঘাঁটির পাশে এই ড্রোন কারখানা নির্মাণ করা হবে।’
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘দেশের উত্তরাঞ্চলে বর্তমানে আন্তর্জাতিক মানের কোনো বিমানবন্দর নেই। বগুড়া বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কাজ চলছে।’
এ ছাড়া, উত্তরাঞ্চলকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম বিমানঘাঁটি স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিমানবাহিনীর বহরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন যুদ্ধবিমানগুলো এই ঘাঁটিতে রাখা হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান আমলে নির্মিত বগুড়া বিমানবন্দরটি বেশ পুরোনো। জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে বিমানবন্দরটির উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হলেও রাজনৈতিক কারণে প্রকল্পটি আর এগোয়নি ।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
তুরস্কের সহযোগিতায় বগুড়ায় ড্রোন তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বাংলাদেশ। জেলায় নির্মিতব্য আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশে এই কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরাত দিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তুরস্কের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বগুড়া বিমানঘাঁটির পাশে এই ড্রোন কারখানা নির্মাণ করা হবে।’
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘দেশের উত্তরাঞ্চলে বর্তমানে আন্তর্জাতিক মানের কোনো বিমানবন্দর নেই। বগুড়া বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কাজ চলছে।’
এ ছাড়া, উত্তরাঞ্চলকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম বিমানঘাঁটি স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিমানবাহিনীর বহরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন যুদ্ধবিমানগুলো এই ঘাঁটিতে রাখা হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান আমলে নির্মিত বগুড়া বিমানবন্দরটি বেশ পুরোনো। জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে বিমানবন্দরটির উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হলেও রাজনৈতিক কারণে প্রকল্পটি আর এগোয়নি ।

আপনার মতামত লিখুন