সংবাদ

৩৪৯ উপজেলায় বিস্তৃত হচ্ছে স্কুলের ‘মিড ডে মিল’


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৯ পিএম

৩৪৯ উপজেলায় বিস্তৃত হচ্ছে স্কুলের ‘মিড ডে মিল’

  • প্রাথমিকে ঝরে পড়া রোধ ও পুষ্টি নিশ্চিতে বড় উদ্যোগ সরকারের
  • সব মহানগর ও জেলা শহরও আসছে এই কর্মসূচির আওতায়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে এবং তাদের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। দেশের আরও ৩৪৯টি উপজেলায়মিড ডে মিলবা স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের সব মহানগর, জেলা শহর এবং প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো এই সুবিধার আওতায় আসবে।

প্রাথমিক গণশিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধ এবং ক্লাসে উপস্থিতি শতভাগ নিশ্চিত করতেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল প্রকল্প সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক যুগ্ম-সচিব মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। তিনি প্রকল্পের অগ্রগতি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোকপাত করেন।

প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, "গত বছর দেশের ১৫০টি উপজেলায় আমরা ফিডিং কর্মসূচি চালু করেছিলাম। নতুন করে ৩৪৯টি উপজেলায় প্রকল্পটি চালু করা হবে। পর্যায়ে দেশের সব মহানগর, জেলা শহর এবং গ্রামের স্কুলগুলো কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হবে। ইতোমধ্যে নতুন প্রকল্পের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে।"

মূলত গত বছরের ১৫ নভেম্বর থেকে নির্বাচিত ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছিলো, যার মাধ্যমে প্রায় ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থী সপ্তাহে পাঁচ দিন ফর্টিফাইড বিস্কুট, কলা, ডিম দুধের মতো পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছিলো।

তবে কর্মসূচি চলাকালীন বিভিন্ন স্থানে নিম্নমানের খাবার সরবরাহের কিছু অভিযোগও সামনে এসেছে। নষ্ট কলা বা নিম্নমানের পাউরুটি নিয়ে জনমনে কিছুটা অসন্তোষ তৈরি হয়েছিলো। বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, "বিভিন্ন জায়গা থেকে আমাদের কাছে বেশকিছু অভিযোগ এসেছে। প্রকল্পটি যেহেতু নতুন তাই কিছুটা গরমিল হতে পারে। তবে অভিযোগ প্রাপ্তির পরই আমরা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। তাদের চূড়ান্তভাবে সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগগুলো পর্যালোচনায় কমিটি করা হয়েছে।"

সরকার আশা করছে, নতুন ৩৪৯টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চালুর মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানে আমূল পরিবর্তন আসবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


৩৪৯ উপজেলায় বিস্তৃত হচ্ছে স্কুলের ‘মিড ডে মিল’

প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

  • প্রাথমিকে ঝরে পড়া রোধ ও পুষ্টি নিশ্চিতে বড় উদ্যোগ সরকারের
  • সব মহানগর ও জেলা শহরও আসছে এই কর্মসূচির আওতায়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে এবং তাদের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। দেশের আরও ৩৪৯টি উপজেলায়মিড ডে মিলবা স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের সব মহানগর, জেলা শহর এবং প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো এই সুবিধার আওতায় আসবে।

প্রাথমিক গণশিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধ এবং ক্লাসে উপস্থিতি শতভাগ নিশ্চিত করতেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল প্রকল্প সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক যুগ্ম-সচিব মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। তিনি প্রকল্পের অগ্রগতি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোকপাত করেন।

প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, "গত বছর দেশের ১৫০টি উপজেলায় আমরা ফিডিং কর্মসূচি চালু করেছিলাম। নতুন করে ৩৪৯টি উপজেলায় প্রকল্পটি চালু করা হবে। পর্যায়ে দেশের সব মহানগর, জেলা শহর এবং গ্রামের স্কুলগুলো কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হবে। ইতোমধ্যে নতুন প্রকল্পের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে।"

মূলত গত বছরের ১৫ নভেম্বর থেকে নির্বাচিত ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছিলো, যার মাধ্যমে প্রায় ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থী সপ্তাহে পাঁচ দিন ফর্টিফাইড বিস্কুট, কলা, ডিম দুধের মতো পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছিলো।

তবে কর্মসূচি চলাকালীন বিভিন্ন স্থানে নিম্নমানের খাবার সরবরাহের কিছু অভিযোগও সামনে এসেছে। নষ্ট কলা বা নিম্নমানের পাউরুটি নিয়ে জনমনে কিছুটা অসন্তোষ তৈরি হয়েছিলো। বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, "বিভিন্ন জায়গা থেকে আমাদের কাছে বেশকিছু অভিযোগ এসেছে। প্রকল্পটি যেহেতু নতুন তাই কিছুটা গরমিল হতে পারে। তবে অভিযোগ প্রাপ্তির পরই আমরা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। তাদের চূড়ান্তভাবে সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগগুলো পর্যালোচনায় কমিটি করা হয়েছে।"

সরকার আশা করছে, নতুন ৩৪৯টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চালুর মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানে আমূল পরিবর্তন আসবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত