রাজধানীর মিরপুরে ৭ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আজ রবিবার (২৪ মে) আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে। একই সাথে আগামী ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে এই মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ রবিবার এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "রামিসার ঘটনায় চার্জশিট আজই দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ আদালতে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বিচার কাজ সম্পন্ন করা হবে। যদিও এটি আদালতের বিষয়, তবুও আমরা আশা করছি আদালত আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করবেন।"
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিশু রামিসা হত্যা মামলার চূড়ান্ত অভিযোগপত্রের খসড়া তৈরি শেষ হয়েছে। বর্তমানে ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যারে ডেটা এন্ট্রি করাসহ পুলিশের কিছু কারিগরি প্রক্রিয়া চলছে। এই চার্জশিটে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত স্বপ্না আক্তারকে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে আনা হয়েছে।
গত বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকের খাসকামরায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন প্রধান আসামি সোহেল রানা। জবানবন্দিতে তিনি স্বীকার করেন, ঘটনার আগে তিনি ইয়াবা সেবন করেছিলেন এবং এরপরই শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
জিজ্ঞাসাবাদের সঙ্গে জড়িত পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার সময়ে ঘরের একটি কক্ষে নিজের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটকে রেখেছিলেন সোহেল। পরে মরদেহ টুকরা করে গুম করার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় রামিসার স্বজন ও প্রতিবেশীরা টের পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়েন। এ সময় জানালার গ্রিল ভেঙে প্রধান আসামি সোহেল ও তার আরেক সঙ্গী পালিয়ে গেলেও স্বপ্নাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটকে করে স্থানীয়রা।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরে ৭ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আজ রবিবার (২৪ মে) আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে। একই সাথে আগামী ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে এই মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ রবিবার এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "রামিসার ঘটনায় চার্জশিট আজই দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ আদালতে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বিচার কাজ সম্পন্ন করা হবে। যদিও এটি আদালতের বিষয়, তবুও আমরা আশা করছি আদালত আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করবেন।"
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিশু রামিসা হত্যা মামলার চূড়ান্ত অভিযোগপত্রের খসড়া তৈরি শেষ হয়েছে। বর্তমানে ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যারে ডেটা এন্ট্রি করাসহ পুলিশের কিছু কারিগরি প্রক্রিয়া চলছে। এই চার্জশিটে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত স্বপ্না আক্তারকে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে আনা হয়েছে।
গত বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকের খাসকামরায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন প্রধান আসামি সোহেল রানা। জবানবন্দিতে তিনি স্বীকার করেন, ঘটনার আগে তিনি ইয়াবা সেবন করেছিলেন এবং এরপরই শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
জিজ্ঞাসাবাদের সঙ্গে জড়িত পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার সময়ে ঘরের একটি কক্ষে নিজের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটকে রেখেছিলেন সোহেল। পরে মরদেহ টুকরা করে গুম করার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় রামিসার স্বজন ও প্রতিবেশীরা টের পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়েন। এ সময় জানালার গ্রিল ভেঙে প্রধান আসামি সোহেল ও তার আরেক সঙ্গী পালিয়ে গেলেও স্বপ্নাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটকে করে স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন