সংবাদ

নতুন বিশ্বব্যবস্থার চালকের আসনে ভারত: ভারসাম্য নয়, এখন প্রভাবের রাজনীতি


দীপক মুখার্জী, কলকাতা
দীপক মুখার্জী, কলকাতা
প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ০২:০৮ পিএম

নতুন বিশ্বব্যবস্থার চালকের আসনে ভারত: ভারসাম্য নয়, এখন প্রভাবের রাজনীতি

বর্তমান বিশ্বরাজনীতি দ্রুত বদলাচ্ছে, কিন্তু এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় লাভবান যদি কেউ হয়, তা হলো ভারত। কারণ অন্য শক্তিগুলো যেখানে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ছে, ভারত সেখানে সুযোগ তৈরি করছে।

চিন ও রাশিয়া-র তথাকথিত ‘সীমাহীন বন্ধুত্ব’ আসলে স্বার্থনির্ভর—এবং এই ফাঁকটাই ভারতের জন্য কৌশলগত স্পেস তৈরি করছে। একইভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-চিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভারতকে শুধু “পার্টনার” নয়, বরং “প্রয়োজনীয় শক্তি” হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছে।

ভারত এখন আর শুধু ব্যালান্স করছে না। সে একসঙ্গে তিনটি শক্তিকেই leverage করছে রাশিয়ার অস্ত্র, আমেরিকার প্রযুক্তি, আর বৈশ্বিক বাজার সবকিছুই নিজের উন্নয়নের জন্য ব্যবহার করছে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো ভারত এখন কোনও শিবিরে নেই, বরং অন্যদের শিবিরে ঢোকার দরজা নিয়ন্ত্রণ করছে।

তাইওয়ান ইস্যুতেও একই কৌশল—তাইওয়ান-এর সঙ্গে গভীর অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলা, কিন্তু প্রকাশ্যে নিরপেক্ষ থাকা। অর্থাৎ, সংঘাত নয়—লাভই মূল লক্ষ্য।

মুল পয়েন্ট হলো:

বিশ্ব নতুন স্নায়ুযুদ্ধের দিকে গেলেও, ভারত সেই যুদ্ধের “মাঠ” নয় ভারত হতে চাইছে সেই শক্তি, যার দিকে তাকিয়ে দুই পক্ষই নিজেদের কৌশল ঠিক করবে।

আগামী বিশ্বরাজনীতিতে প্রশ্নটা আর “কোন শক্তি জিতবে” নয় বরং “ভারত কাকে কতটা সুযোগ দেবে।”

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৪ মে ২০২৬


নতুন বিশ্বব্যবস্থার চালকের আসনে ভারত: ভারসাম্য নয়, এখন প্রভাবের রাজনীতি

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬

featured Image

বর্তমান বিশ্বরাজনীতি দ্রুত বদলাচ্ছে, কিন্তু এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় লাভবান যদি কেউ হয়, তা হলো ভারত। কারণ অন্য শক্তিগুলো যেখানে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ছে, ভারত সেখানে সুযোগ তৈরি করছে।

চিন ও রাশিয়া-র তথাকথিত ‘সীমাহীন বন্ধুত্ব’ আসলে স্বার্থনির্ভর—এবং এই ফাঁকটাই ভারতের জন্য কৌশলগত স্পেস তৈরি করছে। একইভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-চিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভারতকে শুধু “পার্টনার” নয়, বরং “প্রয়োজনীয় শক্তি” হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছে।

ভারত এখন আর শুধু ব্যালান্স করছে না। সে একসঙ্গে তিনটি শক্তিকেই leverage করছে রাশিয়ার অস্ত্র, আমেরিকার প্রযুক্তি, আর বৈশ্বিক বাজার সবকিছুই নিজের উন্নয়নের জন্য ব্যবহার করছে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো ভারত এখন কোনও শিবিরে নেই, বরং অন্যদের শিবিরে ঢোকার দরজা নিয়ন্ত্রণ করছে।

তাইওয়ান ইস্যুতেও একই কৌশল—তাইওয়ান-এর সঙ্গে গভীর অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলা, কিন্তু প্রকাশ্যে নিরপেক্ষ থাকা। অর্থাৎ, সংঘাত নয়—লাভই মূল লক্ষ্য।

মুল পয়েন্ট হলো:

বিশ্ব নতুন স্নায়ুযুদ্ধের দিকে গেলেও, ভারত সেই যুদ্ধের “মাঠ” নয় ভারত হতে চাইছে সেই শক্তি, যার দিকে তাকিয়ে দুই পক্ষই নিজেদের কৌশল ঠিক করবে।

আগামী বিশ্বরাজনীতিতে প্রশ্নটা আর “কোন শক্তি জিতবে” নয় বরং “ভারত কাকে কতটা সুযোগ দেবে।”


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত