ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামে স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সাগরিকা খাতুন ওরফে বুলবুলি (৩০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী শিমুল মিয়া পলাতক রয়েছেন।
রোববার (২৪ মে) ভোরে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত সাগরিকা খাতুন সদর উপজেলার করিমপুর গ্রামের ইন্তাজ আলী বিশ্বাসের মেয়ে। তার স্বামী শিমুল হোসেন একই উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের রহিম মিয়ার ছেলে।
স্বজনদের বরাতে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে শনিবার গভীর রাতে শিমুল মিয়া তার স্ত্রী সাগরিকা খাতুনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথা, হাত ও পা-সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। পরে তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
স্বজনরা আরও জানান, দাম্পত্য কলহের কারণে সাগরিকা কিছুদিন ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তবে তিন দিন আগে শিমুল তাকে আবারও নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন।
নিহতের বাবা ইন্তাজ আলী বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, কয়েক দিন ধরে শিমুল তার মেয়েকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন এবং বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। শনিবার গভীর রাতে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামে স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সাগরিকা খাতুন ওরফে বুলবুলি (৩০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী শিমুল মিয়া পলাতক রয়েছেন।
রোববার (২৪ মে) ভোরে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত সাগরিকা খাতুন সদর উপজেলার করিমপুর গ্রামের ইন্তাজ আলী বিশ্বাসের মেয়ে। তার স্বামী শিমুল হোসেন একই উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের রহিম মিয়ার ছেলে।
স্বজনদের বরাতে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে শনিবার গভীর রাতে শিমুল মিয়া তার স্ত্রী সাগরিকা খাতুনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথা, হাত ও পা-সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। পরে তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
স্বজনরা আরও জানান, দাম্পত্য কলহের কারণে সাগরিকা কিছুদিন ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তবে তিন দিন আগে শিমুল তাকে আবারও নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন।
নিহতের বাবা ইন্তাজ আলী বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, কয়েক দিন ধরে শিমুল তার মেয়েকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন এবং বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। শনিবার গভীর রাতে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন