সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে পরিচিত আওয়ামী লীগ নেতা রিফাত নিলয় জোয়ার্দারকে গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
একই সঙ্গে এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ২৩ জুলাই দিন ঠিক করেছে আদালত।
রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এদিন সকালে রিফাত নিলয়কে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুমের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় চাওয়া হয়।
শুনানি শেষে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুনরায় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।
আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, ড. মোহাম্মদ অলি মিয়া, তারেক আবদুল্লাহ, মঈনুল করিম, আবদুস সাত্তার পালোয়ান প্রমুখ।
এর আগে গত ১৯ মে রিফাতের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট (হাজিরা পরোয়ানা) চেয়েছিল প্রসিকিউশন।
প্রসিকিউশন জানিয়েছে, রিফাত নিলয় জোয়ার্দারের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও প্রশ্রয়ে বলপূর্বক গুমের শিকার হওয়া ভুক্তভোগী মো. মশিউর রহমানসহ একাধিক ব্যক্তিকে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) বা ডিজিএফআইয়ের নিয়ন্ত্রাধীন বিভিন্ন গোপন বন্দিশালায় আটকে রাখা হয়।
সেখানে গুম হওয়া ব্যক্তিদের ওপর নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।
এছাড়া ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্দেশে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পদ্ধতিগত গুম-খুনে তার জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
রিফাত ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ধানমন্ডি থানা আওয়ামী লীগের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৩ নম্বর ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক। এর আগে ধানমন্ডি থানায় হওয়া অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি কারাগারে বন্দি ছিলেন।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে পরিচিত আওয়ামী লীগ নেতা রিফাত নিলয় জোয়ার্দারকে গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
একই সঙ্গে এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ২৩ জুলাই দিন ঠিক করেছে আদালত।
রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এদিন সকালে রিফাত নিলয়কে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুমের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় চাওয়া হয়।
শুনানি শেষে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুনরায় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।
আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, ড. মোহাম্মদ অলি মিয়া, তারেক আবদুল্লাহ, মঈনুল করিম, আবদুস সাত্তার পালোয়ান প্রমুখ।
এর আগে গত ১৯ মে রিফাতের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট (হাজিরা পরোয়ানা) চেয়েছিল প্রসিকিউশন।
প্রসিকিউশন জানিয়েছে, রিফাত নিলয় জোয়ার্দারের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও প্রশ্রয়ে বলপূর্বক গুমের শিকার হওয়া ভুক্তভোগী মো. মশিউর রহমানসহ একাধিক ব্যক্তিকে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) বা ডিজিএফআইয়ের নিয়ন্ত্রাধীন বিভিন্ন গোপন বন্দিশালায় আটকে রাখা হয়।
সেখানে গুম হওয়া ব্যক্তিদের ওপর নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।
এছাড়া ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্দেশে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পদ্ধতিগত গুম-খুনে তার জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
রিফাত ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ধানমন্ডি থানা আওয়ামী লীগের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৩ নম্বর ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক। এর আগে ধানমন্ডি থানায় হওয়া অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি কারাগারে বন্দি ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন