চেক জালিয়াতি মামলায় ৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শেখ মামুনুর রশিদকে গ্রেপ্তার করেছে সাতক্ষীরা সদর থানা-পুলিশ।
শেখ মামুনুর রশিদ সাতক্ষীরা পৌরসভার সুলতানপুর এলাকার শেখ হারুন অর রশিদের ছেলে। শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় সুলতানপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সাতক্ষীরা সদর থানা-পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শেখ মামুনুর রশিদ তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা আদালতে চেক জালিয়াতির ৫ টি সিআর মামলা রয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, মামলা হওয়ার পর থেকে তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাকে ৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির সাতক্ষীরা শাখার কর্মকর্তা আবু মুছা জানান, ভোমরা বন্দরের ব্যবসায়ী ও মেসার্স মুন ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী শেখ মামুনুর রশিদ ব্যবসায়িক কাজে ব্যাংক থেকে বিনিয়োগ নেন। সর্বশেষ তার কাছে ব্যাংকের পাওনা দাঁড়ায় ২ কোটি ২১ লাখ টাকা। ঋণের অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ৫ টি চেক জালিয়াতির মামলা করে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
চেক জালিয়াতি মামলায় ৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শেখ মামুনুর রশিদকে গ্রেপ্তার করেছে সাতক্ষীরা সদর থানা-পুলিশ।
শেখ মামুনুর রশিদ সাতক্ষীরা পৌরসভার সুলতানপুর এলাকার শেখ হারুন অর রশিদের ছেলে। শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় সুলতানপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সাতক্ষীরা সদর থানা-পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শেখ মামুনুর রশিদ তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা আদালতে চেক জালিয়াতির ৫ টি সিআর মামলা রয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, মামলা হওয়ার পর থেকে তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাকে ৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির সাতক্ষীরা শাখার কর্মকর্তা আবু মুছা জানান, ভোমরা বন্দরের ব্যবসায়ী ও মেসার্স মুন ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী শেখ মামুনুর রশিদ ব্যবসায়িক কাজে ব্যাংক থেকে বিনিয়োগ নেন। সর্বশেষ তার কাছে ব্যাংকের পাওনা দাঁড়ায় ২ কোটি ২১ লাখ টাকা। ঋণের অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ৫ টি চেক জালিয়াতির মামলা করে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন