রাজশাহীর পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া হাত বাঁধা এক যুবকের মরদেহ ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে। আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
শনিবার সন্ধ্যায় নগরের বড়কুঠি-সংলগ্ন পদ্মা নদীর তীর থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত যুবকের বয়স আনুমানিক ২৩ বছর।
পুলিশ জানায়, যুবকের পরনে নেভি ব্লু রঙের জিন্স প্যান্ট ও টিয়া রঙের টি-শার্ট ছিল। তার গলায় গামছা প্যাঁচানো ছিল এবং একই গামছা দিয়ে দুই হাত বাঁধা ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে।
নগরের বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হলেও যুবককে ঘটনাস্থলে হত্যা করা হয়েছে, নাকি অন্য কোথাও থেকে মরদেহ ভেসে এসেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, যেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার হয়েছে, সেটি নৌ পুলিশের অধিক্ষেত্রের মধ্যে পড়ায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম নৌ পুলিশ পরিচালনা করবে। রোববার দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় বোয়ালিয়া থানায় কোনো মামলা হয়নি।
রাজশাহী মহানগর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বিকাশ মণ্ডল বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সহায়তায় আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করা হয়। পরে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালানো হয়। তবে কয়েক দিন আগে মৃত্যু হওয়ায় মরদেহে পচন ধরেছে। ফলে স্পষ্ট আঙুলের ছাপ পাওয়া যায়নি এবং তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গেও মেলেনি।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
রাজশাহীর পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া হাত বাঁধা এক যুবকের মরদেহ ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে। আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
শনিবার সন্ধ্যায় নগরের বড়কুঠি-সংলগ্ন পদ্মা নদীর তীর থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত যুবকের বয়স আনুমানিক ২৩ বছর।
পুলিশ জানায়, যুবকের পরনে নেভি ব্লু রঙের জিন্স প্যান্ট ও টিয়া রঙের টি-শার্ট ছিল। তার গলায় গামছা প্যাঁচানো ছিল এবং একই গামছা দিয়ে দুই হাত বাঁধা ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে।
নগরের বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হলেও যুবককে ঘটনাস্থলে হত্যা করা হয়েছে, নাকি অন্য কোথাও থেকে মরদেহ ভেসে এসেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, যেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার হয়েছে, সেটি নৌ পুলিশের অধিক্ষেত্রের মধ্যে পড়ায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম নৌ পুলিশ পরিচালনা করবে। রোববার দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় বোয়ালিয়া থানায় কোনো মামলা হয়নি।
রাজশাহী মহানগর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বিকাশ মণ্ডল বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সহায়তায় আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করা হয়। পরে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালানো হয়। তবে কয়েক দিন আগে মৃত্যু হওয়ায় মরদেহে পচন ধরেছে। ফলে স্পষ্ট আঙুলের ছাপ পাওয়া যায়নি এবং তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গেও মেলেনি।

আপনার মতামত লিখুন