কয়েকদিনের অসহ্য ও দমবন্ধ করা ভ্যাপসা গরমের পর অবশেষে বৃষ্টির দেখা পেয়েছে রাজধানীবাসী। রোববার (২৪ মে) দুপুরের দিকে হঠাৎ ঢাকার আকাশ মেঘে ঢেকে যায়। ঝোড়ো বাতাস শহরে ছড়িয়ে দেয় প্রশান্তি।
বিকেল চারটার দিকে শুরু হয় ঝুম বৃষ্টি। বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি চলছিল। পল্টন, শাহবাগ, বাংলামোটর, কারওয়ানবাজার, মগবাজার, হাতিরঝিল, মহাখালীসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
বৃষ্টিতে ঈদকে সামনে রেখে কেনাকাটাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে যারা ঘর থেকে বেরিয়েছেন, তারা কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েছেন। সড়কে পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসা ভাসমান দোকানিরাও বৃষ্টি থেকে মালামাল রক্ষা করতে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। তবে অসহ্য গরমের মধ্যে বৃষ্টি কিছুটা স্বস্তিও এনে দিয়েছে।
নাড়ির টানে যারা ইতোমধ্যে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন, তাদের যাতায়াতে তপ্ত গরমের ক্লান্তি দূর করে এক টুকরো প্রশান্তি এনে দিয়েছে এই বৃষ্টি। সাধারণ পথচারীদের অনেককেই ভিজতে ভিজতে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে; সবার চোখে-মুখেই ছিল স্বস্তির ছাপ।
ঝুম বৃষ্টির কারণে সড়কের কিছু জায়গায় সাময়িক জলজট ও ধীরগতি সৃষ্টি হলেও গরমের পর শীতল হাওয়া আর বৃষ্টির ছোঁয়া গত কয়েকদিনের চরম অস্বস্তি থেকে নগরবাসীকে বড় ধরনের স্বস্তি দিয়েছে।
এদিকে, ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার বার্তায় জানানো হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝোড়ো হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।
ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও পটুয়াখালী জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
কয়েকদিনের অসহ্য ও দমবন্ধ করা ভ্যাপসা গরমের পর অবশেষে বৃষ্টির দেখা পেয়েছে রাজধানীবাসী। রোববার (২৪ মে) দুপুরের দিকে হঠাৎ ঢাকার আকাশ মেঘে ঢেকে যায়। ঝোড়ো বাতাস শহরে ছড়িয়ে দেয় প্রশান্তি।
বিকেল চারটার দিকে শুরু হয় ঝুম বৃষ্টি। বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি চলছিল। পল্টন, শাহবাগ, বাংলামোটর, কারওয়ানবাজার, মগবাজার, হাতিরঝিল, মহাখালীসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
বৃষ্টিতে ঈদকে সামনে রেখে কেনাকাটাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে যারা ঘর থেকে বেরিয়েছেন, তারা কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েছেন। সড়কে পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসা ভাসমান দোকানিরাও বৃষ্টি থেকে মালামাল রক্ষা করতে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। তবে অসহ্য গরমের মধ্যে বৃষ্টি কিছুটা স্বস্তিও এনে দিয়েছে।
নাড়ির টানে যারা ইতোমধ্যে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন, তাদের যাতায়াতে তপ্ত গরমের ক্লান্তি দূর করে এক টুকরো প্রশান্তি এনে দিয়েছে এই বৃষ্টি। সাধারণ পথচারীদের অনেককেই ভিজতে ভিজতে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে; সবার চোখে-মুখেই ছিল স্বস্তির ছাপ।
ঝুম বৃষ্টির কারণে সড়কের কিছু জায়গায় সাময়িক জলজট ও ধীরগতি সৃষ্টি হলেও গরমের পর শীতল হাওয়া আর বৃষ্টির ছোঁয়া গত কয়েকদিনের চরম অস্বস্তি থেকে নগরবাসীকে বড় ধরনের স্বস্তি দিয়েছে।
এদিকে, ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার বার্তায় জানানো হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝোড়ো হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।
ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও পটুয়াখালী জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন