রাজধানীর পল্লবীতে নৃশংসভাবে আট বছর বয়সী শিশুকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ।
রোববার (২৪ মে) বিকেলে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে আগামী ১ জুন অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন।
এর আগে দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিনই ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার পরদিন শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
২০ মে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরদিন ২১ মে রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুটির পরিবারের সঙ্গে দেখা করে দ্রুত তদন্ত ও বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস দেন।
সকালে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংলাপে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, এই মামলার বিচারকাজ পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘সবকিছু বিবেচনায় আমরা আশা করছি যে খুব সম্ভবত পাঁচ- সাত দিনের মধ্যে এই বিচারকাজ শেষ হবে।’
মন্ত্রী আরও জানান, অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করতে যা যা দরকার, সরকার তা করবে। আসামিকে সাত ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার, এক দিনের মধ্যে স্বীকারোক্তি, দ্রুত ডিএনএ পরীক্ষা ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন- সব মিলিয়ে দ্রুততম সময়ে অভিযোগপত্র দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এ মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নৃশংস এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ নানা দল ও সংগঠন ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে। ২৩ মে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে রোববার আদালত প্রাঙ্গণে এনে হাজতখানায় রাখা হয়। ট্রাইব্যুনালের আদেশের পর বিকেলে দুজনকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে নৃশংসভাবে আট বছর বয়সী শিশুকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ।
রোববার (২৪ মে) বিকেলে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে আগামী ১ জুন অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন।
এর আগে দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিনই ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার পরদিন শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
২০ মে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরদিন ২১ মে রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুটির পরিবারের সঙ্গে দেখা করে দ্রুত তদন্ত ও বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস দেন।
সকালে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংলাপে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, এই মামলার বিচারকাজ পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘সবকিছু বিবেচনায় আমরা আশা করছি যে খুব সম্ভবত পাঁচ- সাত দিনের মধ্যে এই বিচারকাজ শেষ হবে।’
মন্ত্রী আরও জানান, অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করতে যা যা দরকার, সরকার তা করবে। আসামিকে সাত ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার, এক দিনের মধ্যে স্বীকারোক্তি, দ্রুত ডিএনএ পরীক্ষা ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন- সব মিলিয়ে দ্রুততম সময়ে অভিযোগপত্র দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এ মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নৃশংস এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ নানা দল ও সংগঠন ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে। ২৩ মে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে রোববার আদালত প্রাঙ্গণে এনে হাজতখানায় রাখা হয়। ট্রাইব্যুনালের আদেশের পর বিকেলে দুজনকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন