সংবাদ

শিশুর মাথায় আটকে গেল পাতিল, কেটে উদ্ধার


প্রতিনিধি, নরসিংদী
প্রতিনিধি, নরসিংদী
প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম

শিশুর মাথায় আটকে গেল পাতিল, কেটে উদ্ধার
ছবি : সংবাদ

নরসিংদী শহরের ব্রাহ্মন্দী এলাকায় খেলার সময় দুই বছরের এক শিশুর মাথায় সিলভারের একটি পাতিল আটকে যায়। অনেক চেষ্টা করেও তা খোলা সম্ভব না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত একটি ওয়ার্কশপে নিয়ে পাতিলটি কেটে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। রোববার (২৪ মে) দুপুরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

শিশুটির নাম অন্তিম। পারিবারিক সূত্র জানায়, আজ দুপুরে বাড়িতে খেলার সময় একটি সিলভারের পাতিল নিজের মাথায় ঢুকিয়ে ফেলে সে। পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিক চেষ্টা করেও সেটি বের করতে ব্যর্থ হন। এরপর শিশুটিকে দ্রুত নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরাও দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করে পাতিলটি খুলতে পারেননি।

অবস্থা বেগতিক দেখে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ফরিদা গুলশানারা কবীরের তত্ত্বাবধানে শিশুটিকে পাশের একটি ওয়ার্কশপে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কারিগরেরা ধাতব কাঁচি দিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পাতিলটি কেটে ফেলেন। প্রায় দুই ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির পর শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

চিকিৎসকেরা জানান, পাতিলটি শিশুর গলায় এমনভাবে আটকে ছিল যে আর কিছু সময় এভাবে থাকলে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হতে পারত। বর্তমানে শিশুটি সম্পূর্ণ সুস্থ আছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালের আরএমও ফরিদা গুলশানারা কবীর বলেন, ‘শিশুটিকে যখন আমাদের কাছে আনা হয়, তখন সে প্রচণ্ড কান্নাকাটি করছিল। চিকিৎসকদের পক্ষে সম্ভব না হওয়ায় আমরা ওয়ার্কশপের সহায়তা নিই। আল্লাহর রহমতে শিশুটি এখন সুস্থ আছে।’ তিনি ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে বাবা-মাকে আরও বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৪ মে ২০২৬


শিশুর মাথায় আটকে গেল পাতিল, কেটে উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬

featured Image

নরসিংদী শহরের ব্রাহ্মন্দী এলাকায় খেলার সময় দুই বছরের এক শিশুর মাথায় সিলভারের একটি পাতিল আটকে যায়। অনেক চেষ্টা করেও তা খোলা সম্ভব না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত একটি ওয়ার্কশপে নিয়ে পাতিলটি কেটে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। রোববার (২৪ মে) দুপুরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

শিশুটির নাম অন্তিম। পারিবারিক সূত্র জানায়, আজ দুপুরে বাড়িতে খেলার সময় একটি সিলভারের পাতিল নিজের মাথায় ঢুকিয়ে ফেলে সে। পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিক চেষ্টা করেও সেটি বের করতে ব্যর্থ হন। এরপর শিশুটিকে দ্রুত নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরাও দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করে পাতিলটি খুলতে পারেননি।

অবস্থা বেগতিক দেখে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ফরিদা গুলশানারা কবীরের তত্ত্বাবধানে শিশুটিকে পাশের একটি ওয়ার্কশপে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কারিগরেরা ধাতব কাঁচি দিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পাতিলটি কেটে ফেলেন। প্রায় দুই ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির পর শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

চিকিৎসকেরা জানান, পাতিলটি শিশুর গলায় এমনভাবে আটকে ছিল যে আর কিছু সময় এভাবে থাকলে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হতে পারত। বর্তমানে শিশুটি সম্পূর্ণ সুস্থ আছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালের আরএমও ফরিদা গুলশানারা কবীর বলেন, ‘শিশুটিকে যখন আমাদের কাছে আনা হয়, তখন সে প্রচণ্ড কান্নাকাটি করছিল। চিকিৎসকদের পক্ষে সম্ভব না হওয়ায় আমরা ওয়ার্কশপের সহায়তা নিই। আল্লাহর রহমতে শিশুটি এখন সুস্থ আছে।’ তিনি ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে বাবা-মাকে আরও বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত