ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচন, যখন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর ভোটের আগেই সরে দাঁড়ান। সেই পরিস্থিতিতেও বিপুল ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে গেরুয়া শিবির, যা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী শক্তির সংগঠন ও মাটির দখল নিয়ে।
ডায়মন্ড হারবার মডেলকে ‘তৃণমূলের হার-বার মডেল’ বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। ফলতা পুনর্নির্বাচনে বিজেপির এই বড় জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “সর্বপ্রথমে ফলতা বিধানসভা আসনের পুনর্নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডাকে বিপুল জনাদেশ দিয়ে বিধানসভায় পাঠানোর জন্য ফলতার জনতা জনার্দন গণদেবতাকে নত মস্তকে প্রণাম জানাই। বিজেপির প্রার্থীকে এক লক্ষ ভোটে জেতানোর আবেদন করেছিলাম, জয়ের ব্যবধান এক লক্ষ আট হাজার পেরিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “উন্নয়নের মাধ্যমে আপনাদের এই ঋণ শোধ করব। সোনার ফলতা গড়ার জন্য আমরা দায়বদ্ধ।”
পোস্টে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করে শুভেন্দু লেখেন, “একটি নীতি-আদর্শহীন দল, যা মাফিয়া কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়েছিল, ক্ষমতা হারাতেই তার কঙ্কালসার দশা উন্মোচিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার করে সরকারি ধন লুট, মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ তোলাবাজি, সিন্ডিকেট ও থ্রেট কালচারের মাধ্যমে কেড়ে নেওয়া- এই ছিল তাদের রাজনীতি।”
নাম না করেই অভিষেক ব্যানার্জিকে নিশানা করে তিনি লেখেন, “প্যারাসুটে নেমে সেনাপতি আখ্যা পাওয়া এক জালিয়াত, এমন কোনও অপরাধ নেই যা সংগঠিত করেনি। নিজের অপরাধ সিন্ডিকেটকে প্রতিষ্ঠিত করতে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করতেও কোনও কসুর করেনি এই ‘বাঘের ছাল পরিহিত বেড়াল’।”
তিনি দাবি করেন, “যখন ভোটাররা নিজের ভোট দেওয়ার স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছেন, তখনই প্রকৃত জনমত সামনে এসেছে।”
শেষে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, “এ তো সবে শুরু। প্রত্যাখ্যানের দীর্ঘ যাত্রা এখনো বাকি। আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের সামনে ‘নোটা’র বিরুদ্ধেও কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে। ত্রিপুরায় তারা ইতিমধ্যেই ‘নোটা’র কাছেও পরাজিত হয়েছে- পশ্চিমবঙ্গেও সেই ছবি দেখা সময়ের অপেক্ষা।”

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচন, যখন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর ভোটের আগেই সরে দাঁড়ান। সেই পরিস্থিতিতেও বিপুল ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে গেরুয়া শিবির, যা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী শক্তির সংগঠন ও মাটির দখল নিয়ে।
ডায়মন্ড হারবার মডেলকে ‘তৃণমূলের হার-বার মডেল’ বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। ফলতা পুনর্নির্বাচনে বিজেপির এই বড় জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “সর্বপ্রথমে ফলতা বিধানসভা আসনের পুনর্নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডাকে বিপুল জনাদেশ দিয়ে বিধানসভায় পাঠানোর জন্য ফলতার জনতা জনার্দন গণদেবতাকে নত মস্তকে প্রণাম জানাই। বিজেপির প্রার্থীকে এক লক্ষ ভোটে জেতানোর আবেদন করেছিলাম, জয়ের ব্যবধান এক লক্ষ আট হাজার পেরিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “উন্নয়নের মাধ্যমে আপনাদের এই ঋণ শোধ করব। সোনার ফলতা গড়ার জন্য আমরা দায়বদ্ধ।”
পোস্টে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করে শুভেন্দু লেখেন, “একটি নীতি-আদর্শহীন দল, যা মাফিয়া কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়েছিল, ক্ষমতা হারাতেই তার কঙ্কালসার দশা উন্মোচিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার করে সরকারি ধন লুট, মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ তোলাবাজি, সিন্ডিকেট ও থ্রেট কালচারের মাধ্যমে কেড়ে নেওয়া- এই ছিল তাদের রাজনীতি।”
নাম না করেই অভিষেক ব্যানার্জিকে নিশানা করে তিনি লেখেন, “প্যারাসুটে নেমে সেনাপতি আখ্যা পাওয়া এক জালিয়াত, এমন কোনও অপরাধ নেই যা সংগঠিত করেনি। নিজের অপরাধ সিন্ডিকেটকে প্রতিষ্ঠিত করতে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করতেও কোনও কসুর করেনি এই ‘বাঘের ছাল পরিহিত বেড়াল’।”
তিনি দাবি করেন, “যখন ভোটাররা নিজের ভোট দেওয়ার স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছেন, তখনই প্রকৃত জনমত সামনে এসেছে।”
শেষে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, “এ তো সবে শুরু। প্রত্যাখ্যানের দীর্ঘ যাত্রা এখনো বাকি। আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের সামনে ‘নোটা’র বিরুদ্ধেও কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে। ত্রিপুরায় তারা ইতিমধ্যেই ‘নোটা’র কাছেও পরাজিত হয়েছে- পশ্চিমবঙ্গেও সেই ছবি দেখা সময়ের অপেক্ষা।”

আপনার মতামত লিখুন