জনশক্তি খাতে ঢাকা ও মস্কোর পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে রাশিয়ার শ্রমবাজারে এক বিশাল সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বর্তমানে সে দেশে কর্মরত প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা আগামী মাত্র এক বছরের মধ্যে এক লাখে উন্নীত করার এক প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা। অর্থাৎ, এক বছরের মধ্যে রাশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি ১০ গুণ বাড়ানোর এক স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ।
রাশিয়ায়
তিন দিনের সরকারি সফরে থাকা পররাষ্ট্রমন্ত্রী
খলিলুর রহমান এই দূরদর্শী প্রস্তাব
উত্থাপন করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো
হয়েছে, রুশ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের
এই প্রস্তাবের ওপর অত্যন্ত দ্রুততার
সঙ্গে কাজ করতে সম্মত
হয়েছে এবং উভয় পক্ষই
শিগগির প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে বলে আশা
করছে।
মস্কোতে
দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে অনুষ্ঠিত এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে
কেবল জনশক্তি নয়, বরং দুই
দেশের বাণিজ্য ঘাটতি মেটানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। বৈঠকে উভয় পক্ষই একমত
হয়েছে যে, বর্তমান দ্বিপক্ষীয়
বাণিজ্যের পরিমাণ দুই দেশের সম্ভাবনার
তুলনায় অনেক কম এবং
তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো উচিত।
সফররত
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান রাশিয়ায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও
বিশ্বমানের ওষুধসামগ্রীর বাজার বাড়ানোর উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
বাণিজ্যের এই নতুন সুযোগ
সন্ধান ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক
জোরদারে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে
একটি বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে রাশিয়ায় পাঠানোর প্রস্তাব করা হলে রুশ
পক্ষ তাকে আন্তরিকভাবে স্বাগত
জানায়।
এই সফরের অন্যতম চমকপ্রদ দিক ছিল প্রযুক্তি,
বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
(এআই) সংক্রান্ত পারস্পরিক সহযোগিতা। কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবা
খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য একটি রুশ
প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের প্রস্তাব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, যাতে তাৎক্ষণিকভাবে
ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে রাশিয়া।
পাশাপাশি
বাংলাদেশের জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা প্রণয়নসহ এই খাতে ‘সেন্টার
অব এক্সেলেন্স’ বা উৎকর্ষকেন্দ্র স্থাপনে
সব ধরনের সহায়তা করার জোরালো আগ্রহ
প্রকাশ করেছে মস্কো। গত ৭ জুন
থেকে শুরু হওয়া এই
গুরুত্বপূর্ণ সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
জনশক্তি খাতে ঢাকা ও মস্কোর পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে রাশিয়ার শ্রমবাজারে এক বিশাল সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বর্তমানে সে দেশে কর্মরত প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা আগামী মাত্র এক বছরের মধ্যে এক লাখে উন্নীত করার এক প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা। অর্থাৎ, এক বছরের মধ্যে রাশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি ১০ গুণ বাড়ানোর এক স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ।
রাশিয়ায়
তিন দিনের সরকারি সফরে থাকা পররাষ্ট্রমন্ত্রী
খলিলুর রহমান এই দূরদর্শী প্রস্তাব
উত্থাপন করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো
হয়েছে, রুশ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের
এই প্রস্তাবের ওপর অত্যন্ত দ্রুততার
সঙ্গে কাজ করতে সম্মত
হয়েছে এবং উভয় পক্ষই
শিগগির প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে বলে আশা
করছে।
মস্কোতে
দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে অনুষ্ঠিত এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে
কেবল জনশক্তি নয়, বরং দুই
দেশের বাণিজ্য ঘাটতি মেটানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। বৈঠকে উভয় পক্ষই একমত
হয়েছে যে, বর্তমান দ্বিপক্ষীয়
বাণিজ্যের পরিমাণ দুই দেশের সম্ভাবনার
তুলনায় অনেক কম এবং
তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো উচিত।
সফররত
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান রাশিয়ায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও
বিশ্বমানের ওষুধসামগ্রীর বাজার বাড়ানোর উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
বাণিজ্যের এই নতুন সুযোগ
সন্ধান ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক
জোরদারে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে
একটি বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে রাশিয়ায় পাঠানোর প্রস্তাব করা হলে রুশ
পক্ষ তাকে আন্তরিকভাবে স্বাগত
জানায়।
এই সফরের অন্যতম চমকপ্রদ দিক ছিল প্রযুক্তি,
বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
(এআই) সংক্রান্ত পারস্পরিক সহযোগিতা। কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবা
খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য একটি রুশ
প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের প্রস্তাব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, যাতে তাৎক্ষণিকভাবে
ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে রাশিয়া।
পাশাপাশি
বাংলাদেশের জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা প্রণয়নসহ এই খাতে ‘সেন্টার
অব এক্সেলেন্স’ বা উৎকর্ষকেন্দ্র স্থাপনে
সব ধরনের সহায়তা করার জোরালো আগ্রহ
প্রকাশ করেছে মস্কো। গত ৭ জুন
থেকে শুরু হওয়া এই
গুরুত্বপূর্ণ সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

আপনার মতামত লিখুন