প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধির পাশাপাশি উন্নয়নের নামে বিনা কারণে গাছ কেটে ফেলায় তীব্র ক্ষোভ ও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় তিনি এ সব বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের নামে গাছ কাটার বিষয়ে নিজের দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এক সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এত গাছ ছিল যে, তা দেখে চোখ জুড়িয়ে যেত। এখন ঢাকা-বগুড়া সড়কেও তেমন গাছ নেই।’
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, সব এলাকাকে শহর বানানোর পক্ষে নন তিনি। বরং গ্রামীণ পরিবেশ বজায় রাখাই তার পছন্দ। সড়কের পাশে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ইউক্যালিপটাস বা ইপিল-ইপিল গাছ না লাগানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিনা কারণে গাছ কেটে ফেলা মানুষ হিসেবে আমাকে ব্যথিত করে।’
প্রকল্পের ব্যয় ও রেট সিডিউল নিয়েও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এলজিইডি ও পিডব্লিউডিসহ বিভিন্ন বিভাগের রেট সিডিউল আলাদা হওয়ায় বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘অধিকাংশ প্রকল্পের ব্যয় অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে।’
তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব বিভাগের রেট সিডিউল একই কাঠামোতে নিয়ে আসতে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি সব ধরনের প্রকল্পের খরচ কমানোর তাগিদ দেন তিনি।
একনেক সভায় খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনের প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে প্রধানমন্ত্রী তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বারবার মেয়াদ বৃদ্ধির কারণে প্রকল্পটি অনুমোদন না দিয়ে একনেক সভা থেকে ফেরত পাঠানো হয়।
একই সঙ্গে কোন কর্মকর্তার কারণে এই প্রকল্পের মেয়াদ বারবার বাড়াতে হচ্ছে, তাকে চিহ্নিত করার তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিনের সভায় মোট ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা জোগান দেওয়া হবে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধির পাশাপাশি উন্নয়নের নামে বিনা কারণে গাছ কেটে ফেলায় তীব্র ক্ষোভ ও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় তিনি এ সব বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের নামে গাছ কাটার বিষয়ে নিজের দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এক সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এত গাছ ছিল যে, তা দেখে চোখ জুড়িয়ে যেত। এখন ঢাকা-বগুড়া সড়কেও তেমন গাছ নেই।’
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, সব এলাকাকে শহর বানানোর পক্ষে নন তিনি। বরং গ্রামীণ পরিবেশ বজায় রাখাই তার পছন্দ। সড়কের পাশে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ইউক্যালিপটাস বা ইপিল-ইপিল গাছ না লাগানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিনা কারণে গাছ কেটে ফেলা মানুষ হিসেবে আমাকে ব্যথিত করে।’
প্রকল্পের ব্যয় ও রেট সিডিউল নিয়েও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এলজিইডি ও পিডব্লিউডিসহ বিভিন্ন বিভাগের রেট সিডিউল আলাদা হওয়ায় বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘অধিকাংশ প্রকল্পের ব্যয় অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে।’
তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব বিভাগের রেট সিডিউল একই কাঠামোতে নিয়ে আসতে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি সব ধরনের প্রকল্পের খরচ কমানোর তাগিদ দেন তিনি।
একনেক সভায় খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনের প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে প্রধানমন্ত্রী তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বারবার মেয়াদ বৃদ্ধির কারণে প্রকল্পটি অনুমোদন না দিয়ে একনেক সভা থেকে ফেরত পাঠানো হয়।
একই সঙ্গে কোন কর্মকর্তার কারণে এই প্রকল্পের মেয়াদ বারবার বাড়াতে হচ্ছে, তাকে চিহ্নিত করার তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিনের সভায় মোট ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা জোগান দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন