ঘুম ভাঙতেই প্রথমেই আলো দেখার বদলে আমাদের চোখ পড়ে মোবাইলের উজ্জ্বল স্ক্রিনে। সারাদিন অফিস, অনলাইন ক্লাস, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আর রাতের অন্ধকারে একা একা রিলস স্ক্রোল করা; আমাদের বর্তমান জীবনটাই যেন চারকোণা একটা কাচের স্ক্রিনে বন্দি হয়ে গেছে।
আজকের
পৃথিবী যেন একটি স্ক্রিনের
ভেতর বন্দি। ঘুম থেকে ওঠার
পর প্রথমেই মোবাইল, সারাদিন অনলাইন ক্লাস বা কাজ, আর
দিনের শেষে বিনোদন সবই
যেন স্ক্রিনে সীমাবদ্ধ। প্রযুক্তি আমাদের জীবন সহজ করলেও
এর অতি ব্যবহার চোখের
যে নীরব ক্ষতি করছে,
তা আমরা অনেকেই টের
পাচ্ছি না।
দীর্ঘ
সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার
ফলে 'ডিজিটাল আই স্ট্রেইন' বা
কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোমে আক্রান্ত
হচ্ছে পুরো প্রজন্ম।
চিকিৎসকদের
মতে, স্ক্রিন ব্যবহারের সময় আমরা স্বাভাবিকের
চেয়ে অনেক কম চোখের
পলক ফেলি, যার ফলে চোখ
তার প্রাকৃতিক আর্দ্রতা হারিয়ে শুষ্ক হয়ে যায়। এর
সাথে যোগ হয় স্ক্রিন
থেকে নির্গত ক্ষতিকর নীল আলো, যা
চোখের ক্লান্তি বাড়ায় এবং রাতের ঘুম
কেড়ে নেয়। বিশেষ করে
শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, কারণ পড়াশোনা ও
বিনোদন দুটোর জন্যই তারা স্ক্রিনের ওপর
নির্ভরশীল।
এই অন্ধকারের হাত থেকে বাঁচতে
সচেতনতাই একমাত্র পথ। প্রতি ২০
মিনিট পর পর স্ক্রিন
থেকে চোখ সরিয়ে ২০
ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে
২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকার '২০-২০-২০'
নিয়মটি মেনে চলা উচিত।
ফোনে 'আই কম্ফোর্ট' বা
'ব্লু লাইট ফিল্টার' থাকলেও
তা কিন্তু শতভাগ সমাধান নয়। প্রযুক্তির দাস
না হয়ে এর সঠিক
ব্যবহারই পারে আমাদের দৃষ্টিশক্তি
রক্ষা করতে। অন্যথায়, এই নীরব মহামারী
পুরো প্রজন্মকে এক অন্ধ ভবিষ্যতের
দিকে ঠেলে দেবে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
ঘুম ভাঙতেই প্রথমেই আলো দেখার বদলে আমাদের চোখ পড়ে মোবাইলের উজ্জ্বল স্ক্রিনে। সারাদিন অফিস, অনলাইন ক্লাস, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আর রাতের অন্ধকারে একা একা রিলস স্ক্রোল করা; আমাদের বর্তমান জীবনটাই যেন চারকোণা একটা কাচের স্ক্রিনে বন্দি হয়ে গেছে।
আজকের
পৃথিবী যেন একটি স্ক্রিনের
ভেতর বন্দি। ঘুম থেকে ওঠার
পর প্রথমেই মোবাইল, সারাদিন অনলাইন ক্লাস বা কাজ, আর
দিনের শেষে বিনোদন সবই
যেন স্ক্রিনে সীমাবদ্ধ। প্রযুক্তি আমাদের জীবন সহজ করলেও
এর অতি ব্যবহার চোখের
যে নীরব ক্ষতি করছে,
তা আমরা অনেকেই টের
পাচ্ছি না।
দীর্ঘ
সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার
ফলে 'ডিজিটাল আই স্ট্রেইন' বা
কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোমে আক্রান্ত
হচ্ছে পুরো প্রজন্ম।
চিকিৎসকদের
মতে, স্ক্রিন ব্যবহারের সময় আমরা স্বাভাবিকের
চেয়ে অনেক কম চোখের
পলক ফেলি, যার ফলে চোখ
তার প্রাকৃতিক আর্দ্রতা হারিয়ে শুষ্ক হয়ে যায়। এর
সাথে যোগ হয় স্ক্রিন
থেকে নির্গত ক্ষতিকর নীল আলো, যা
চোখের ক্লান্তি বাড়ায় এবং রাতের ঘুম
কেড়ে নেয়। বিশেষ করে
শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, কারণ পড়াশোনা ও
বিনোদন দুটোর জন্যই তারা স্ক্রিনের ওপর
নির্ভরশীল।
এই অন্ধকারের হাত থেকে বাঁচতে
সচেতনতাই একমাত্র পথ। প্রতি ২০
মিনিট পর পর স্ক্রিন
থেকে চোখ সরিয়ে ২০
ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে
২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকার '২০-২০-২০'
নিয়মটি মেনে চলা উচিত।
ফোনে 'আই কম্ফোর্ট' বা
'ব্লু লাইট ফিল্টার' থাকলেও
তা কিন্তু শতভাগ সমাধান নয়। প্রযুক্তির দাস
না হয়ে এর সঠিক
ব্যবহারই পারে আমাদের দৃষ্টিশক্তি
রক্ষা করতে। অন্যথায়, এই নীরব মহামারী
পুরো প্রজন্মকে এক অন্ধ ভবিষ্যতের
দিকে ঠেলে দেবে।

আপনার মতামত লিখুন