সংবাদ

সংখ্যা বাড়লে কমে ঠান্ডা: এসি রিমোটের উল্টো পিঠের গল্প


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ৯ জুন ২০২৬, ০৯:৫০ পিএম

সংখ্যা বাড়লে কমে ঠান্ডা: এসি রিমোটের উল্টো পিঠের গল্প

তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করতে করতে ঘরে ফিরেই আমরা সবার আগে খুঁজি এসির রিমোট। মুহূর্তের মধ্যে ঘর ঠান্ডা করার এক অদ্ভুত তাড়না কাজ করে অবচেতন মনে। অনেকেই ভাবেন, রিমোটের সংখ্যার পারদ যত ওপরের দিকে টেনে নেওয়া যাবে, বুঝি ঘর তত দ্রুত হিমশীতল হয়ে উঠবে। কিন্তু বিজ্ঞানের হিসাব বলে সম্পূর্ণ উল্টো কথা। এসির দুনিয়ায় সংখ্যা যত কম, শীতলতা ঠিক ততটাই বেশি।

বাস্তবে রিমোটের সংখ্যা বাড়ালে এসি কিন্তু কম ঠান্ডা করে। একটি এয়ার কন্ডিশনার মূলত ঘরের ভেতরের গরম বাতাস শুষে নিয়ে রেফ্রিজারেন্টের সাহায্যে তা বাইরে বের করে দেয়। ব্যবহারকারী রিমোটে যে তাপমাত্রা নির্ধারণ করে দেন, এসি কেবল সেই লক্ষ্যমাত্রা ছোঁয়ার চেষ্টা করে। ধরা যাক, ঘরের তাপমাত্রা এখন ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আপনি যদি রিমোটে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস সেট করেন, তবে সেই কাঙ্ক্ষিত শীতলতা আনতে কম্প্রেসারকে একটানা দীর্ঘ সময় হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হয়। ফলে ঘর দ্রুত বরফ শীতল মনে হয়।

বিপরীতে, তাপমাত্রা যদি ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখা হয়, তবে এসিকে খুব বেশি বেগ পেতে হয় না। লক্ষ্যমাত্রা কাছাকাছি হওয়ায় কম্প্রেসার দ্রুত বন্ধ হয়ে যায় কিংবা গতি কমিয়ে দেয়। ফলে ঘর তুলনামূলক কম ঠান্ডা হয়।

১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলো অধিকাংশ এসির সর্বনিম্ন সীমা, যা সর্বোচ্চ ঠান্ডার জন্য তৈরি। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা মানবদেহের জন্য সবচেয়ে আরামদায়ক এবং এটি পকেটের বিদ্যুৎ বিল বাঁচিয়ে শক্তি সাশ্রয় করতেও দারুণ ভূমিকা রাখে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


সংখ্যা বাড়লে কমে ঠান্ডা: এসি রিমোটের উল্টো পিঠের গল্প

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬

featured Image

তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করতে করতে ঘরে ফিরেই আমরা সবার আগে খুঁজি এসির রিমোট। মুহূর্তের মধ্যে ঘর ঠান্ডা করার এক অদ্ভুত তাড়না কাজ করে অবচেতন মনে। অনেকেই ভাবেন, রিমোটের সংখ্যার পারদ যত ওপরের দিকে টেনে নেওয়া যাবে, বুঝি ঘর তত দ্রুত হিমশীতল হয়ে উঠবে। কিন্তু বিজ্ঞানের হিসাব বলে সম্পূর্ণ উল্টো কথা। এসির দুনিয়ায় সংখ্যা যত কম, শীতলতা ঠিক ততটাই বেশি।

বাস্তবে রিমোটের সংখ্যা বাড়ালে এসি কিন্তু কম ঠান্ডা করে। একটি এয়ার কন্ডিশনার মূলত ঘরের ভেতরের গরম বাতাস শুষে নিয়ে রেফ্রিজারেন্টের সাহায্যে তা বাইরে বের করে দেয়। ব্যবহারকারী রিমোটে যে তাপমাত্রা নির্ধারণ করে দেন, এসি কেবল সেই লক্ষ্যমাত্রা ছোঁয়ার চেষ্টা করে। ধরা যাক, ঘরের তাপমাত্রা এখন ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আপনি যদি রিমোটে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস সেট করেন, তবে সেই কাঙ্ক্ষিত শীতলতা আনতে কম্প্রেসারকে একটানা দীর্ঘ সময় হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হয়। ফলে ঘর দ্রুত বরফ শীতল মনে হয়।

বিপরীতে, তাপমাত্রা যদি ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখা হয়, তবে এসিকে খুব বেশি বেগ পেতে হয় না। লক্ষ্যমাত্রা কাছাকাছি হওয়ায় কম্প্রেসার দ্রুত বন্ধ হয়ে যায় কিংবা গতি কমিয়ে দেয়। ফলে ঘর তুলনামূলক কম ঠান্ডা হয়।

১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলো অধিকাংশ এসির সর্বনিম্ন সীমা, যা সর্বোচ্চ ঠান্ডার জন্য তৈরি। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা মানবদেহের জন্য সবচেয়ে আরামদায়ক এবং এটি পকেটের বিদ্যুৎ বিল বাঁচিয়ে শক্তি সাশ্রয় করতেও দারুণ ভূমিকা রাখে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত