বর্তমান ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আমাদের জীবন যেমন সহজ হয়েছে, ঠিক তেমনি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাইবার অপরাধের কালো ছায়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া আইডি, হ্যাকিং কিংবা অনলাইন প্রতারণার শিকার হয়ে প্রতিনিয়ত নিঃস্ব হচ্ছেন বহু মানুষ। বিশেষ করে নারীরা প্রতিনিয়ত সাইবার বুলিং ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।
ভুক্তভোগীদের
এই নীরব কান্না আর
অসহায়ত্বের অবসান ঘটাতে এক উদ্যোগ নিয়েছে
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। নাগরিকদের সাইবার
নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অনলাইন
অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের দ্রুত আইনি ও মানসিক
সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে
‘সাইবার সাপোর্ট অ্যান্ড রেসপন্স সেন্টার’।
মঙ্গলবার
সিএমপির সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে
এই অত্যাধুনিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন পুলিশ কমিশনার
হাসান মো. শওকত আলী।
নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে
এখন থেকে অনলাইন প্রতারণা,
হ্যাকিং, ফেক আইডি তৈরি
এবং অন্যান্য সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও ভুক্তভোগীদের তাৎক্ষণিক
সহায়তা প্রদান করা হবে। অনেক
সময় সাইবার অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা বুঝতে পারেন না কীভাবে আইনি
পদক্ষেপ নেবেন কিংবা কীভাবে ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণ করবেন। এই সেন্টারটি মূলত
সেই সব সাধারণ মানুষের
শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করবে।
উদ্বোধনকালে
পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী
জানান, এই সেন্টারের মাধ্যমে
ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ধরণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয়
পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়া
হবে। পাশাপাশি অনলাইন অপরাধ সংক্রান্ত স্ক্রিনশট, লিংক, কল রেকর্ড, এসএমএসসহ
বিভিন্ন ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণেও সহায়তা করা হবে, যা
তদন্ত কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করবে।
তিনি
আরও বলেন, "সেন্টারটি পাসওয়ার্ড নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা, সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্কতা এবং সামগ্রিক ডিজিটাল
নিরাপত্তা বিষয়ে নাগরিকদের সচেতন করবে। একই সঙ্গে প্রয়োজন
অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানা, জাতীয় হেল্পলাইন এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের
সঙ্গে যোগাযোগে সহায়তা করা হবে।"
উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই সাইবার সুরক্ষা
কেন্দ্রটি কেবল জনসচেতনতা বৃদ্ধিই
করবে না, বরং সাইবার
অপরাধ প্রতিরোধেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা
হচ্ছে। এখন থেকে চট্টগ্রামের
যেকোনো নাগরিক অনলাইনে বিপদে পড়লে এই সেন্টারের
মাধ্যমে দ্রুত আইনি সুরক্ষা পাবেন
জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
বর্তমান ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আমাদের জীবন যেমন সহজ হয়েছে, ঠিক তেমনি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাইবার অপরাধের কালো ছায়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া আইডি, হ্যাকিং কিংবা অনলাইন প্রতারণার শিকার হয়ে প্রতিনিয়ত নিঃস্ব হচ্ছেন বহু মানুষ। বিশেষ করে নারীরা প্রতিনিয়ত সাইবার বুলিং ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।
ভুক্তভোগীদের
এই নীরব কান্না আর
অসহায়ত্বের অবসান ঘটাতে এক উদ্যোগ নিয়েছে
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। নাগরিকদের সাইবার
নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অনলাইন
অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের দ্রুত আইনি ও মানসিক
সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে
‘সাইবার সাপোর্ট অ্যান্ড রেসপন্স সেন্টার’।
মঙ্গলবার
সিএমপির সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে
এই অত্যাধুনিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন পুলিশ কমিশনার
হাসান মো. শওকত আলী।
নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে
এখন থেকে অনলাইন প্রতারণা,
হ্যাকিং, ফেক আইডি তৈরি
এবং অন্যান্য সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও ভুক্তভোগীদের তাৎক্ষণিক
সহায়তা প্রদান করা হবে। অনেক
সময় সাইবার অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা বুঝতে পারেন না কীভাবে আইনি
পদক্ষেপ নেবেন কিংবা কীভাবে ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণ করবেন। এই সেন্টারটি মূলত
সেই সব সাধারণ মানুষের
শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করবে।
উদ্বোধনকালে
পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী
জানান, এই সেন্টারের মাধ্যমে
ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ধরণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয়
পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়া
হবে। পাশাপাশি অনলাইন অপরাধ সংক্রান্ত স্ক্রিনশট, লিংক, কল রেকর্ড, এসএমএসসহ
বিভিন্ন ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণেও সহায়তা করা হবে, যা
তদন্ত কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করবে।
তিনি
আরও বলেন, "সেন্টারটি পাসওয়ার্ড নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা, সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্কতা এবং সামগ্রিক ডিজিটাল
নিরাপত্তা বিষয়ে নাগরিকদের সচেতন করবে। একই সঙ্গে প্রয়োজন
অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানা, জাতীয় হেল্পলাইন এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের
সঙ্গে যোগাযোগে সহায়তা করা হবে।"
উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই সাইবার সুরক্ষা
কেন্দ্রটি কেবল জনসচেতনতা বৃদ্ধিই
করবে না, বরং সাইবার
অপরাধ প্রতিরোধেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা
হচ্ছে। এখন থেকে চট্টগ্রামের
যেকোনো নাগরিক অনলাইনে বিপদে পড়লে এই সেন্টারের
মাধ্যমে দ্রুত আইনি সুরক্ষা পাবেন
জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন