নিখোঁজের ৮ দিন পর চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের অর্জুন খাল থেকে রাফিন (২২) নামের এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৩ জুন) সকালে নিহতের দাদি আমেনা খাতুন মরদেহটি শনাক্ত করেন। রাফিনকে অপহরণ করে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল বলে পরিবারের অভিযোগ।
নিহত রাফিন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের চিলাভালকি গ্রামের সৌদিপ্রবাসী আক্তার হোসেনের ছেলে। তিনি ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুন সকালে রিকশাভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি রাফিন। ওই দিন রাত ৮টার দিকে একটি নম্বর থেকে ফোন করে জানানো হয়, রাফিনকে অপহরণ করা হয়েছে। তাকে জীবিত ফেরত পেতে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। এ ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছিল।
নিহতের দাদি আমেনা খাতুন জানান, অপহরণকারীরা রাফিনের সঙ্গে কথা বলতে না দিয়ে ফোনে তাকে মারধরের শব্দ শোনাত। অনেক দিন নিখোঁজ থাকার পর আজ সকালে খালের ধারে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
কুতুবপুর পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাহাজুল ইসলাম জানান, শুক্রবার গভীর রাতে স্থানীয়রা খালের পানিতে মরদেহের সন্ধান পান। রাত বেশি হওয়ায় আজ শনিবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
/

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
নিখোঁজের ৮ দিন পর চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের অর্জুন খাল থেকে রাফিন (২২) নামের এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৩ জুন) সকালে নিহতের দাদি আমেনা খাতুন মরদেহটি শনাক্ত করেন। রাফিনকে অপহরণ করে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল বলে পরিবারের অভিযোগ।
নিহত রাফিন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের চিলাভালকি গ্রামের সৌদিপ্রবাসী আক্তার হোসেনের ছেলে। তিনি ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুন সকালে রিকশাভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি রাফিন। ওই দিন রাত ৮টার দিকে একটি নম্বর থেকে ফোন করে জানানো হয়, রাফিনকে অপহরণ করা হয়েছে। তাকে জীবিত ফেরত পেতে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। এ ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছিল।
নিহতের দাদি আমেনা খাতুন জানান, অপহরণকারীরা রাফিনের সঙ্গে কথা বলতে না দিয়ে ফোনে তাকে মারধরের শব্দ শোনাত। অনেক দিন নিখোঁজ থাকার পর আজ সকালে খালের ধারে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
কুতুবপুর পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাহাজুল ইসলাম জানান, শুক্রবার গভীর রাতে স্থানীয়রা খালের পানিতে মরদেহের সন্ধান পান। রাত বেশি হওয়ায় আজ শনিবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন