প্রিন্ট এর তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে বিআরটি লেনে চলবে একমুখী যান
||
আসন্ন
ঈদুল ফিতরে ঘরমুখী মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে বিমানবন্দর থেকে
জয়দেবপুর পর্যন্ত বিআরটি লেনে একমুখী বা
ওয়ানওয়ে যান চলাচলের সিদ্ধান্ত
নিতে যাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ
(ডিএমপি)।একইসঙ্গে
আব্দুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়া রোড
পর্যন্ত সড়কেও একমুখী যানবাহন চলাচলের সম্ভাবনা রয়েছে।বুধবার
রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন
শেষে ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার সাংবাদিকদের
এ সব তথ্য জানান।তিনি
বলেন, ঢাকা বাইপাস রোড
সচল রাখতে সড়ক ও জনপথ
বিভাগের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।ঈদযাত্রায়
যানজটের একটি বড় কারণ
হিসেবে ফিটনেসবিহীন বা লক্কড়-ঝক্কড়
বাসকে চিহ্নিত করেছেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি জানান, মহাসড়কে
এ সব গাড়ি বিকল হয়ে
দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি করে। তাই এবার
ফিটনেসবিহীন বাস রাস্তায় নামা
বন্ধ করতে বিআরটিএ ও
ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। গত
বছরের মতো এবারও গ্যারেজগুলোতে
নজরদারি চালানো হবে যাতে ত্রুটিপূর্ণ
গাড়ি রাস্তায় নামতে না পারে।যাত্রীদের
ভোগান্তি কমাতে বাস টার্মিনালগুলোতে হেল্পডেস্ক
স্থাপনের পাশাপাশি ভাড়ার তালিকা প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বাসের
শিডিউল বিপর্যয় হলে তা দ্রুত
যাত্রীদের জানানোর জন্য মালিক পক্ষকে
অনুরোধ জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।এ ছাড়া
টার্মিনাল এলাকা পরিষ্কার রাখতে সিটি করপোরেশনের সহায়তা
চাওয়া হয়েছে। যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পোশাকধারী পুলিশের
পাশাপাশি ডিবি, এসবি, র্যাব এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে
সোয়াট ও ডগ স্কোয়াড
প্রস্তুত থাকবে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে এবার অশ্বারোহী পুলিশও
দায়িত্ব পালন করবে।পরিবহন
সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে দিয়ে কমিশনার
বলেন, চালকরা যাতে টানা ৫
ঘণ্টার বেশি গাড়ি না
চালান এবং যত্রতত্র দাঁড়িয়ে
যাত্রী না তোলেন সেদিকে
খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে
আব্দুল্লাহপুর, গাবতলী ও সায়েদাবাদের মূল
সড়কে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী
তুললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।তিনি
আরও জানান, ১৮ মার্চ থেকে
সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায়
এবার যাত্রীদের চাপ ভাগ হয়ে
যাবে। এতে প্রতিদিন গড়ে
২০ লাখ মানুষ ঢাকা
ছাড়বে, যা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা
সহজ করবে।গার্মেন্টস
শ্রমিকদের ঢাকা ছাড়ার সুবিধার্থে
১৬ থেকে ২০ মার্চের
মধ্যে ধাপে ধাপে ছুটি
দেওয়ার জন্য মালিকদের প্রতি
আহ্বান জানিয়েছে ডিএমপি। দিনে ২০ শতাংশ
করে শ্রমিকদের ছুটি দিলে পরিবহন
সংকট অনেকটা কমবে বলে আশা
করা হচ্ছে।
এ ছাড়া
অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে
এবং ছিনতাইকারী ও মলম পার্টির
দৌরাত্ম্য রুখতে বিআরটিএ ও ডিএমপির ম্যাজিস্ট্রেটরা
সার্বক্ষণিক মাঠে থাকবেন। পরিদর্শনকালে
পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতির
বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : আলতামাশ কবির
কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত