প্রিন্ট এর তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শপথ গ্রহণ ও কার্যপরিধি
||
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অবসর প্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আর ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী হন কায়সার কালাম। আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার পরে এই শপথ পড়ানো হয়। এসময় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন, যা সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত।স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের মূল দায়িত্বসংসদীয় গণতন্ত্রে স্পিকার হলেন সংসদের অভিভাবক। তাঁর ও ডেপুটি স্পিকারের কার্যপরিধি অত্যন্ত ব্যাপক:অধিবেশন পরিচালনা: সংসদের প্রতিটি বৈঠকের সভাপতিত্ব করা এবং ‘অর্ডার অব বিজনেস’ বা কার্যসূচি অনুযায়ী আলোচনা পরিচালনা করা।নিরপেক্ষতা ও শৃঙ্খলা: সরকারি দল ও বিরোধী দল নির্বিশেষে সকল সদস্যকে কথা বলার সমান সুযোগ দান। সংসদীয় রীতিনীতি লঙ্ঘন হলে সদস্যদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা রক্ষায় স্পিকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন।নির্ণায়ক ভোট: কোনো বিল বা প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষে ভোট সমান হয়ে গেলে, অচলাবস্থা নিরসনে স্পিকার তাঁর বিশেষ ভোটাধিকার বা নির্ণায়ক ভোট প্রদান করেন।প্রশাসনিক দায়িত্ব: তিনি সংসদ সচিবালয়ের প্রধান হিসেবে কাজ করেন এবং আন্তঃসংসদীয় ইউনিয়ন -এর মতো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।৩. সাংবিধানিক পদমর্যাদা ও গুরুত্ববাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী স্পিকারের পদটি অত্যন্ত উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন। পদমর্যাদাক্রমে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পরেই স্পিকারের অবস্থান।বিশেষ ক্ষমতা: রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি, মৃত্যু বা পদত্যাগজনিত কারণে রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হলে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের হাত ধরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ প্রাণবন্ত ও কার্যকর হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। নিরপেক্ষতা ও সংবিধানের প্রতি অবিচল থেকে তারা সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবেন এটিই জাতির প্রত্যাশা।
সম্পাদক ও প্রকাশক : আলতামাশ কবির
কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত