টিআইবির চোখে ইউনূস সরকারের অনি'য়ম এবং বিএনপি, জামায়াতের দুর্বলতা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান উন্মোচন করলেন রাষ্ট্রযন্ত্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে লুকিয়ে থাকা পচনশীল ব্যবস্থা ও অন্তর্বর্তী সরকারের নানা ব্যর্থতার খতিয়ান। ‘সংবাদ’ এর হেড অব নিউজ রাশেদ আহমেদের সাথে পডকাস্টে তিনি বলেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আজ যেন কেবলই ক্ষমতাবানদের পাহারাদার। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দুদক সংস্কারের যে ৪৭টি সুপারিশ করা হয়, তা কেন দিনের আলো দেখল না? ইউনূস সরকার যে দুর্বল ভিত্তি রেখে গেছে, তা কি দুর্নী'তি'কে স্বাভাবিকতায় রূপান্তরের এক নীরব নীলনকশা ? এই এক্সক্লুসিভ পডকাস্টে উঠে এসেছে এমন সব রূঢ় সত্য, যা প্রতিটি সচেতন নাগরিকের জানা প্রয়োজন: ক্ষমতাবানদের সুরক্ষা ও বিচারহীনতা: দুদককে ব্যবহার করে কীভাবে দুর্নী'তিবাজদের দায়মুক্তি দেওয়া হচ্ছে এবং অপরাধীদের উল্টো পুরস্কৃত করা হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা ও ষড়'যন্ত্র: দুদক সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবের বিরোধিতায় ৭ উপদেষ্টার সরাসরি অবস্থান এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সুপারিশ আটকে দেওয়ার নেপথ্যের গল্প। নীতিহী'নতার চরম খেসারত: ঋণ খেলাপি ও রিসিডিউল করা ব্যক্তিকে গভর্নর বানানোর মতো ভয়ংকর ও হতাশাজনক বার্তা। বিতর্কিত চুক্তি ও আইন লঙ্ঘন: ইউনূস সরকারের রাষ্ট্রবিরোধী চুক্তি এবং গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় ইউনূসের খোদ নিয়ম ভাঙার অভিযোগ। রাজনৈতিক দ্বিচারিতা: বিচার বিভাগের স্বাধীন সচিবালয়ের প্রস্তাব বিএনপি সরকার কর্তৃক বাতিল এবং তৃতীয় লি'ঙ্গের সমঅধিকার নিশ্চিতে জামায়াতের অস্বীকৃতি। অর্থ পা'চার ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নী'তি: জনগণের কাছে তথ্য গোপন করার প্রাতিষ্ঠানিক কূটকৌশল এবং দুই ধাপে দেশের অর্থ পাচারের অজানা অধ্যায়। দুর্নী;তি আজ আর কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সুরক্ষিত এক স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই নিশ্ছিদ্র অন্ধকারে আলো ফেলতে, ক্ষমতার মুখোশ উন্মোচন করতে এবং জনতার অধিকারের পক্ষে দাঁড়াতে 'সংবাদ'-এর এই বিশেষ আয়োজন।