জামালপুরে ছেলের বিরুদ্ধে গরু চুরির মিথ্যা অভিযোগ এনে গ্রাম্য সালিশে বাবা-মাকে নির্যাতন ও অপমানের পর মায়ের আত্মহত্যার ঘটনায় জড়িত দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নিহতের নাম জোসনা বানু (৪৫)। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের খলিলহাটা গ্রামের সুরুজ্জামানের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার গভীর রাতে ওই গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য নায়েব আলীর বাড়িতে গরু চুরির চেষ্টা করে কয়েকজন। এ ঘটনার পর চোর সন্দেহে নায়েব আলীর নেতৃত্বে কয়েকজন প্রতিবেশী সুরুজ্জামানের বাড়িতে গিয়ে তার ছেলে সুজন মিয়াকে ধরতে যান। কিন্তু তাকে না পেয়ে তারা সুজনের বাবা সুরুজ্জামান ও তার মা জোসনা বানুকে তুলে নিয়ে নায়েব আলীর বাড়িতে নিয়ে যান।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে ওই বাড়িতে গ্রাম্য সালিশ বসে। সালিশে সুরুজ্জামান ও জোসনা বানু ছাড়াও আরও দুইজনকে চোর সন্দেহে ধরে মারধর করা হয়। একই সঙ্গে তাদের পরিবারের সদস্যদেরও নির্যাতন চালানো হয়।
ছেলের অপমান ও নিজেদের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন সুজনের মা জোসনা বানু। সালিশ শেষে বাড়ি ফিরে তিনি আত্মহত্যা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সজীব বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ গতকাল রাতে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। তারা হলেন—ওই এলাকার আজিজুর রহমানের ছেলে গোলাম কিবরিয়া মুক্তা ও ইউপি সদস্য নায়েব আলী মেম্বারের ছেলে মোহাম্মদ হৃদয়।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে মা-বাবাকে নির্যাতনের পর গৃহবধূর আত্মহত্যার ঘটনা অত্যন্ত অমানবিক। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।’

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
জামালপুরে ছেলের বিরুদ্ধে গরু চুরির মিথ্যা অভিযোগ এনে গ্রাম্য সালিশে বাবা-মাকে নির্যাতন ও অপমানের পর মায়ের আত্মহত্যার ঘটনায় জড়িত দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নিহতের নাম জোসনা বানু (৪৫)। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের খলিলহাটা গ্রামের সুরুজ্জামানের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার গভীর রাতে ওই গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য নায়েব আলীর বাড়িতে গরু চুরির চেষ্টা করে কয়েকজন। এ ঘটনার পর চোর সন্দেহে নায়েব আলীর নেতৃত্বে কয়েকজন প্রতিবেশী সুরুজ্জামানের বাড়িতে গিয়ে তার ছেলে সুজন মিয়াকে ধরতে যান। কিন্তু তাকে না পেয়ে তারা সুজনের বাবা সুরুজ্জামান ও তার মা জোসনা বানুকে তুলে নিয়ে নায়েব আলীর বাড়িতে নিয়ে যান।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে ওই বাড়িতে গ্রাম্য সালিশ বসে। সালিশে সুরুজ্জামান ও জোসনা বানু ছাড়াও আরও দুইজনকে চোর সন্দেহে ধরে মারধর করা হয়। একই সঙ্গে তাদের পরিবারের সদস্যদেরও নির্যাতন চালানো হয়।
ছেলের অপমান ও নিজেদের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন সুজনের মা জোসনা বানু। সালিশ শেষে বাড়ি ফিরে তিনি আত্মহত্যা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সজীব বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ গতকাল রাতে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। তারা হলেন—ওই এলাকার আজিজুর রহমানের ছেলে গোলাম কিবরিয়া মুক্তা ও ইউপি সদস্য নায়েব আলী মেম্বারের ছেলে মোহাম্মদ হৃদয়।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে মা-বাবাকে নির্যাতনের পর গৃহবধূর আত্মহত্যার ঘটনা অত্যন্ত অমানবিক। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।’

আপনার মতামত লিখুন