চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ৬ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করেছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কমিশনার ঘাটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার। এ সময় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও পুলিশের সদস্যরা যৌথভাবে অংশগ্রহণ করেন।
অভিযানে ৩০টি ড্রামে মজুত রাখা ছয় হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়। তবে ঘটনাস্থলে কোনো আসামি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা আহমেদ বলেন, অভিযানকালে ডিজেল লোড-আনলোডে ব্যবহৃত তিনটি পাম্প জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সমুদ্রগামী জাহাজ ও তেল ডিপো থেকে জ্বালানি তেল পরিবহনের সময় একটি অসাধু চক্র অবৈধভাবে জ্বালানি তেল অপসারণ করে তা স্থানীয় বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করত। উদ্ধারকৃত তেল বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার বলেন, ‘জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অবৈধ মজুদ প্রতিরোধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
উল্লেখ্য, জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সম্প্রতি জেলা প্রশাসন তেল ডিপো ও পেট্রোল পাম্পগুলোতে নজরদারি বাড়িয়েছে।

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ৬ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করেছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কমিশনার ঘাটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার। এ সময় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও পুলিশের সদস্যরা যৌথভাবে অংশগ্রহণ করেন।
অভিযানে ৩০টি ড্রামে মজুত রাখা ছয় হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়। তবে ঘটনাস্থলে কোনো আসামি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা আহমেদ বলেন, অভিযানকালে ডিজেল লোড-আনলোডে ব্যবহৃত তিনটি পাম্প জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সমুদ্রগামী জাহাজ ও তেল ডিপো থেকে জ্বালানি তেল পরিবহনের সময় একটি অসাধু চক্র অবৈধভাবে জ্বালানি তেল অপসারণ করে তা স্থানীয় বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করত। উদ্ধারকৃত তেল বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার বলেন, ‘জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অবৈধ মজুদ প্রতিরোধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
উল্লেখ্য, জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সম্প্রতি জেলা প্রশাসন তেল ডিপো ও পেট্রোল পাম্পগুলোতে নজরদারি বাড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন