বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি), রংপুর কেন্দ্রে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ কেন্দ্রে ৩ হাজার ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ৫৬৮ জন অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিতির হার ছিল ৮৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এহেতারামুল হক জানান, পরীক্ষা চলাকালে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, “গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ফলে শিক্ষার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াতের ভোগান্তিও কমেছে।”
তিনি আরও জানান, বেরোবিতে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর মো. ফেরদৌস রহমান, আইকিউএসি পরিচালক প্রফেসর ড. মো. তাজুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আসাদ-উদ-দৌলা প্রমুখ।
সকাল থেকেই রংপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন। পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থী ছাড়া অন্য কাউকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
পরীক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি), রংপুর কেন্দ্রে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ কেন্দ্রে ৩ হাজার ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ৫৬৮ জন অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিতির হার ছিল ৮৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এহেতারামুল হক জানান, পরীক্ষা চলাকালে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, “গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ফলে শিক্ষার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াতের ভোগান্তিও কমেছে।”
তিনি আরও জানান, বেরোবিতে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর মো. ফেরদৌস রহমান, আইকিউএসি পরিচালক প্রফেসর ড. মো. তাজুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আসাদ-উদ-দৌলা প্রমুখ।
সকাল থেকেই রংপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন। পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থী ছাড়া অন্য কাউকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
পরীক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন