সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

গবেষণার নামে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অবমূল্যায়ন নয়: প্রধানমন্ত্রী


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৬

গবেষণার নামে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অবমূল্যায়ন নয়: প্রধানমন্ত্রী
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপি আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথা নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা হবে। তবে গবেষণা বা মন্তব্য এমন হওয়া উচিত নয়, যা দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অবমূল্যায়ন ঘটায়। ”

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপি আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অতীত নিয়ে সব সময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, আর অতীত ভুলে গেলে দুই চোখই অন্ধ। অতীতকে ভুলে থাকা চলবে না, আবার অতীত নিয়ে পড়ে থাকলেও তা যেন ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে বিঘ্ন সৃষ্টি না করে। ”

তারেক রহমান তার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সকল জাতীয় নেতাদের স্মরণ করেন। সেই সঙ্গে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান বিশেষভাবে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “তিনি একজন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে স্বাধীনতার স্বপ্ন লালন করতেন। ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত ‘একটি জাতির জন্ম’ শীর্ষক নিবন্ধে তিনি ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ রাত ২টা ১৫ মিনিটে স্বাধীনতার ঘোষণার ঘটনা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বর্ণনা করেছেন, যা মুক্তিযুদ্ধ গবেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দলিল হতে পারে।”

আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ কোনো এক দলের নয়, এটি ছিল ‘জনযুদ্ধ’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “লাখো প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা রক্ষা করতে সবার দায়িত্ব। আমাদের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে যদি আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করি, স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা অসম্ভব নয়।”

বিএনপির আলোচনাসভা

তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এবারের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার হোক- ‘সমাজের একটি অংশ নয়, আমরা সবাই মিলে ভালো থাকবো’। আমরা সবাই মিলে ভালো থাকার চেষ্টা করবো এবং ভালো থাকবো ইনশাআল্লাহ।”

বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬


গবেষণার নামে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অবমূল্যায়ন নয়: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথা নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা হবে। তবে গবেষণা বা মন্তব্য এমন হওয়া উচিত নয়, যা দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অবমূল্যায়ন ঘটায়। ”

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপি আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অতীত নিয়ে সব সময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, আর অতীত ভুলে গেলে দুই চোখই অন্ধ। অতীতকে ভুলে থাকা চলবে না, আবার অতীত নিয়ে পড়ে থাকলেও তা যেন ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে বিঘ্ন সৃষ্টি না করে। ”

তারেক রহমান তার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সকল জাতীয় নেতাদের স্মরণ করেন। সেই সঙ্গে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান বিশেষভাবে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “তিনি একজন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে স্বাধীনতার স্বপ্ন লালন করতেন। ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত ‘একটি জাতির জন্ম’ শীর্ষক নিবন্ধে তিনি ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ রাত ২টা ১৫ মিনিটে স্বাধীনতার ঘোষণার ঘটনা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বর্ণনা করেছেন, যা মুক্তিযুদ্ধ গবেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দলিল হতে পারে।”

আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ কোনো এক দলের নয়, এটি ছিল ‘জনযুদ্ধ’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “লাখো প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা রক্ষা করতে সবার দায়িত্ব। আমাদের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে যদি আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করি, স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা অসম্ভব নয়।”

বিএনপির আলোচনাসভা

তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এবারের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার হোক- ‘সমাজের একটি অংশ নয়, আমরা সবাই মিলে ভালো থাকবো’। আমরা সবাই মিলে ভালো থাকার চেষ্টা করবো এবং ভালো থাকবো ইনশাআল্লাহ।”

বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রমুখ।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত