রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস নদীতে নিমজ্জিত হওয়ার ঘটনায় এখনো একজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে দাবি করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। নিখোঁজ ব্যক্তির নাম রিপন। বাড়ি বালিয়াকান্দি উপজেলার শ্যামসুন্দরপুর গ্রামে। তবে দুর্ঘটনায় কবলিত বাসের যাত্রী ছিলেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিখোঁজের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ১২ সদস্যের ডুবুরি দল শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল সাড়ে আটটা থেকে টানা তৃতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা জানান, নিখোঁজের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেলেও বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবু সম্ভাব্য সব জায়গায় অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ইতোমধ্যে ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটির (রাজবাড়ী-ব-১১-০০২৪) রেজিস্ট্রেশন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
মালিকপক্ষকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত রাজবাড়ীর ১৮টি পরিবারের প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা এবং আহত দুই জনকে ১৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস নদীতে নিমজ্জিত হওয়ার ঘটনায় এখনো একজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে দাবি করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। নিখোঁজ ব্যক্তির নাম রিপন। বাড়ি বালিয়াকান্দি উপজেলার শ্যামসুন্দরপুর গ্রামে। তবে দুর্ঘটনায় কবলিত বাসের যাত্রী ছিলেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিখোঁজের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ১২ সদস্যের ডুবুরি দল শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল সাড়ে আটটা থেকে টানা তৃতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা জানান, নিখোঁজের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেলেও বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবু সম্ভাব্য সব জায়গায় অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ইতোমধ্যে ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটির (রাজবাড়ী-ব-১১-০০২৪) রেজিস্ট্রেশন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
মালিকপক্ষকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত রাজবাড়ীর ১৮টি পরিবারের প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা এবং আহত দুই জনকে ১৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন