স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৫ বছর পরও দেশে সেই পুরোনো অপশক্তি নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার
রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন
মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও
জাতীয় দিবস উপলক্ষে এক
আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা
বলেন।
মির্জা
ফখরুল সতর্ক করে বলেন, একাত্তরের
ঘাতক ও পাকিস্তান বাহিনীর
সহযোগীরা আবারও সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। দেশের সাফল্য ধরে রাখতে হলে
এই অপশক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে পরাজিত করে স্বাধীনতার চেতনাকে
এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কোনো
বিকল্প নেই।
দলের
বর্তমান অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বিএনপি মহাসচিব
বলেন, দলীয় চেয়ারপারসন ও
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে এক নতুন
আশার আলো সঞ্চারিত হয়েছে।
দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দেশে
ফিরে তিনি কোনো প্রতিশোধ
বা প্রতিহিংসার রাজনীতি বেছে নেননি। বরং
‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ স্লোগান
নিয়ে দেশ গড়ার মহাপরিকল্পনা
হাতে নিয়েছেন।
নির্বাচনের
আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং
কৃষকদের ১০ হাজার টাকা
পর্যন্ত ঋণ মওকুফের মতো
জনকল্যাণমূলক কাজগুলো এরই মধ্যে শুরু
হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ
করেন।
বিগত
বছরগুলোতে দলের নেতাকর্মীদের ওপর
নেমে আসা নির্যাতনের বর্ণনা
দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, গত ১৮ বছরে
বিএনপি এক চরম প্রতিকূল
সময় পার করেছে। হাজার
হাজার নেতাকর্মী হত্যা ও গুমের শিকার
হয়েছেন এবং প্রায় ৬০
লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। এই ভয়াবহ নিপীড়ন
সহ্য করেও দলের কর্মীরা
টিকে আছেন। এখন সময় এসেছে
অতীতের সব বিভেদ ভুলে
সন্তানদের জন্য একটি সমৃদ্ধ
ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার।
আলোচনা সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান। মির্জা ফখরুল নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করে দেশ গড়ার
এই লড়াইয়ে সবাইকে শামিল হতে হবে।
প্রচার
সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় সভায় বিএনপির স্থায়ী
কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্যরা ছাড়াও দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও অর্থনীতিবিদরা অংশ
নেন। বক্তারা সবাই একযোগে দেশের
গণতান্ত্রিক ধারা ও উন্নয়ন
সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৫ বছর পরও দেশে সেই পুরোনো অপশক্তি নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার
রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন
মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও
জাতীয় দিবস উপলক্ষে এক
আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা
বলেন।
মির্জা
ফখরুল সতর্ক করে বলেন, একাত্তরের
ঘাতক ও পাকিস্তান বাহিনীর
সহযোগীরা আবারও সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। দেশের সাফল্য ধরে রাখতে হলে
এই অপশক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে পরাজিত করে স্বাধীনতার চেতনাকে
এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কোনো
বিকল্প নেই।
দলের
বর্তমান অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বিএনপি মহাসচিব
বলেন, দলীয় চেয়ারপারসন ও
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে এক নতুন
আশার আলো সঞ্চারিত হয়েছে।
দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দেশে
ফিরে তিনি কোনো প্রতিশোধ
বা প্রতিহিংসার রাজনীতি বেছে নেননি। বরং
‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ স্লোগান
নিয়ে দেশ গড়ার মহাপরিকল্পনা
হাতে নিয়েছেন।
নির্বাচনের
আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং
কৃষকদের ১০ হাজার টাকা
পর্যন্ত ঋণ মওকুফের মতো
জনকল্যাণমূলক কাজগুলো এরই মধ্যে শুরু
হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ
করেন।
বিগত
বছরগুলোতে দলের নেতাকর্মীদের ওপর
নেমে আসা নির্যাতনের বর্ণনা
দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, গত ১৮ বছরে
বিএনপি এক চরম প্রতিকূল
সময় পার করেছে। হাজার
হাজার নেতাকর্মী হত্যা ও গুমের শিকার
হয়েছেন এবং প্রায় ৬০
লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। এই ভয়াবহ নিপীড়ন
সহ্য করেও দলের কর্মীরা
টিকে আছেন। এখন সময় এসেছে
অতীতের সব বিভেদ ভুলে
সন্তানদের জন্য একটি সমৃদ্ধ
ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার।
আলোচনা সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান। মির্জা ফখরুল নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করে দেশ গড়ার
এই লড়াইয়ে সবাইকে শামিল হতে হবে।
প্রচার
সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় সভায় বিএনপির স্থায়ী
কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্যরা ছাড়াও দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও অর্থনীতিবিদরা অংশ
নেন। বক্তারা সবাই একযোগে দেশের
গণতান্ত্রিক ধারা ও উন্নয়ন
সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন