নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
স্থানীয় সময়
বৃহস্পতিবার এই বৈঠকে বর্তমান বিশ্বপরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট এবং এর
ফলে উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলো
যে চরম ভোগান্তির শিকার
হচ্ছে, তা বিস্তারিতভাবে তুলে
ধরেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী
গুতেরেসকে জানান, তেলের এই সংকট দরিদ্র
দেশগুলোর ওপর অত্যন্ত অসম
ও বৈষম্যমূলক প্রভাব ফেলছে, যা দেশগুলোর অর্থনীতিকে
আরও ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
বৈঠকের
শুরুতে জাতিসংঘ মহাসচিব বাংলাদেশের নবগঠিত সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। বিশেষ করে মিয়ানমার থেকে
জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ধারাবাহিক মানবিক নেতৃত্ব এবং উদারতার ভূয়সী
প্রশংসা করেন আন্তোনিও গুতেরেস।
মানবিক
কারণে বাংলাদেশ যে ত্যাগ স্বীকার
করছে, তা বিশ্বদরবারে একটি
বড় উদাহরণ বলে তিনি উল্লেখ
করেন।
আলোচনার
এক পর্যায়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে জাতিসংঘ
মহাসচিবকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের
আমন্ত্রণ জানান। মহাসচিব এই আমন্ত্রণ সাদরে
গ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশ
সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সমসাময়িক
বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে
বিদ্যমান সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার
বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্বারোপ করা হয়।
বৈঠক
শেষে দুই পক্ষই টেকসই
উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক সংকটগুলো
মোকাবিলায় একে অপরের সহযোগীকে
আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
করেন।
বাংলাদেশের
উন্নয়ন অগ্রযাত্রা এবং আন্তর্জাতিক শান্তি
রক্ষায় দেশটির অবদানের প্রশংসা করে জাতিসংঘ মহাসচিব
আগামীতে আরও নিবিড়ভাবে কাজ
করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
স্থানীয় সময়
বৃহস্পতিবার এই বৈঠকে বর্তমান বিশ্বপরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট এবং এর
ফলে উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলো
যে চরম ভোগান্তির শিকার
হচ্ছে, তা বিস্তারিতভাবে তুলে
ধরেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী
গুতেরেসকে জানান, তেলের এই সংকট দরিদ্র
দেশগুলোর ওপর অত্যন্ত অসম
ও বৈষম্যমূলক প্রভাব ফেলছে, যা দেশগুলোর অর্থনীতিকে
আরও ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
বৈঠকের
শুরুতে জাতিসংঘ মহাসচিব বাংলাদেশের নবগঠিত সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। বিশেষ করে মিয়ানমার থেকে
জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ধারাবাহিক মানবিক নেতৃত্ব এবং উদারতার ভূয়সী
প্রশংসা করেন আন্তোনিও গুতেরেস।
মানবিক
কারণে বাংলাদেশ যে ত্যাগ স্বীকার
করছে, তা বিশ্বদরবারে একটি
বড় উদাহরণ বলে তিনি উল্লেখ
করেন।
আলোচনার
এক পর্যায়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে জাতিসংঘ
মহাসচিবকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের
আমন্ত্রণ জানান। মহাসচিব এই আমন্ত্রণ সাদরে
গ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশ
সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সমসাময়িক
বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে
বিদ্যমান সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার
বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্বারোপ করা হয়।
বৈঠক
শেষে দুই পক্ষই টেকসই
উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক সংকটগুলো
মোকাবিলায় একে অপরের সহযোগীকে
আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
করেন।
বাংলাদেশের
উন্নয়ন অগ্রযাত্রা এবং আন্তর্জাতিক শান্তি
রক্ষায় দেশটির অবদানের প্রশংসা করে জাতিসংঘ মহাসচিব
আগামীতে আরও নিবিড়ভাবে কাজ
করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন