গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাতের প্রথম মাসে ইরানে অন্তত ২১৭ জন শিশু নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার (২৭ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক মানবাধিকার কর্মী সংবাদ সংস্থা (এইচআরএএনএ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। এমনটাই বলছে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা বিবিসি।
সংস্থাটি জানিয়েছে, সংঘাতের প্রথম মাসেই শিশুসহ ১৪৬৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, মার্কিন সেনারা ইরানজুড়ে ১২,০০০-এর বেশি বোমা ফেলেছে। যার মধ্যে শুধু তেহরানেই ছিলো ৩,৬০০টি। যদিও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তারা ইরানজুড়ে ৯,০০০-এর বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এই মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলাগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই পুলিশ স্টেশন, বাসিজ মিলিশিয়ার ভবন, পুলিশ সদর দপ্তর, সামরিক ও পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়, নিরাপদ আস্তানা, আইআরজিসি-র বাড়ি, সেইসাথে সম্ভাব্য গোলাবারুদের গুদাম এবং চেকপয়েন্টকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে।
বিবিসি এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত ঘটনাগুলো সম্পর্কে আইডিএফ-কে জিজ্ঞাসা করেছিল। হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করেনি। এছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
যুদ্ধ চলাকালীন ইরান পার্শ্ববর্তী দেশগুলো বিশেষ করে ওয়াশিংটনের মিত্র উপসাগরীয় দেশ, বেসামরিক অবকাঠামো এবং আবাসিক ভবন, বিমানবন্দর ও হোটেলে হামলা চলেছে।
এদিকে, স্পষ্ট যোগাযোগের অভাবে এবং চলমান ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের মধ্যে অনেকেই নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাতের প্রথম মাসে ইরানে অন্তত ২১৭ জন শিশু নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার (২৭ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক মানবাধিকার কর্মী সংবাদ সংস্থা (এইচআরএএনএ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। এমনটাই বলছে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা বিবিসি।
সংস্থাটি জানিয়েছে, সংঘাতের প্রথম মাসেই শিশুসহ ১৪৬৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, মার্কিন সেনারা ইরানজুড়ে ১২,০০০-এর বেশি বোমা ফেলেছে। যার মধ্যে শুধু তেহরানেই ছিলো ৩,৬০০টি। যদিও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তারা ইরানজুড়ে ৯,০০০-এর বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এই মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলাগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই পুলিশ স্টেশন, বাসিজ মিলিশিয়ার ভবন, পুলিশ সদর দপ্তর, সামরিক ও পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়, নিরাপদ আস্তানা, আইআরজিসি-র বাড়ি, সেইসাথে সম্ভাব্য গোলাবারুদের গুদাম এবং চেকপয়েন্টকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে।
বিবিসি এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত ঘটনাগুলো সম্পর্কে আইডিএফ-কে জিজ্ঞাসা করেছিল। হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করেনি। এছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
যুদ্ধ চলাকালীন ইরান পার্শ্ববর্তী দেশগুলো বিশেষ করে ওয়াশিংটনের মিত্র উপসাগরীয় দেশ, বেসামরিক অবকাঠামো এবং আবাসিক ভবন, বিমানবন্দর ও হোটেলে হামলা চলেছে।
এদিকে, স্পষ্ট যোগাযোগের অভাবে এবং চলমান ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের মধ্যে অনেকেই নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন