অবশেষে বাংলাদেশের আলুর জন্য ভিয়েতনামের বাজার উন্মুক্ত হলো। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে সরকারিভাবে আলু রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছে বাংলাদেশ। ভিয়েতনামের কৃষি ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এ অনুমোদন দিয়েছে বলে হ্যানয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে। এতে দেশের আলু চাষি ও রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে।
ভিয়েতনামের বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো দেশ আলু রপ্তানি করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথিপত্রসহ নিবন্ধন করতে হয়। গত মে মাসে বাংলাদেশ দূতাবাস ও দেশের বাণিজ্য, কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে এই নিবন্ধনের আবেদন করা হয়। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে সম্প্রতি ভিয়েতনাম সরকার বাংলাদেশকে আলু রপ্তানির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
ভিয়েতনামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত লুৎফর রহমান এই অর্জনকে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশি আলু রপ্তানিকারকদের জন্য যেমন নতুন দিগন্ত খুলেছে, তেমনি দেশের প্রান্তিক কৃষকরাও সরাসরি উপকৃত হবেন। ভিয়েতনামে আলুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হলে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
রাষ্ট্রদূত আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আলুর পাশাপাশি তিলসহ অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানির পথও এতে প্রশস্ত হবে। ভিয়েতনামের বাজারে বাংলাদেশের আরও বৈচিত্র্যময় কৃষিজাত পণ্যের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে দূতাবাস কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।
বাংলাদেশের আলু এখন আন্তর্জাতিক বাজারে গুণমান ও স্বাদে সুনাম অর্জন করেছে। ভিয়েতনামের এই অনুমোদন দেশের কৃষি খাতের জন্য একটি বড় অগ্রগতি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নতুন এই বাজার কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাবে এবং কৃষি পণ্যের রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
অবশেষে বাংলাদেশের আলুর জন্য ভিয়েতনামের বাজার উন্মুক্ত হলো। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে সরকারিভাবে আলু রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছে বাংলাদেশ। ভিয়েতনামের কৃষি ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এ অনুমোদন দিয়েছে বলে হ্যানয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে। এতে দেশের আলু চাষি ও রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে।
ভিয়েতনামের বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো দেশ আলু রপ্তানি করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথিপত্রসহ নিবন্ধন করতে হয়। গত মে মাসে বাংলাদেশ দূতাবাস ও দেশের বাণিজ্য, কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে এই নিবন্ধনের আবেদন করা হয়। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে সম্প্রতি ভিয়েতনাম সরকার বাংলাদেশকে আলু রপ্তানির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
ভিয়েতনামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত লুৎফর রহমান এই অর্জনকে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশি আলু রপ্তানিকারকদের জন্য যেমন নতুন দিগন্ত খুলেছে, তেমনি দেশের প্রান্তিক কৃষকরাও সরাসরি উপকৃত হবেন। ভিয়েতনামে আলুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হলে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
রাষ্ট্রদূত আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আলুর পাশাপাশি তিলসহ অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানির পথও এতে প্রশস্ত হবে। ভিয়েতনামের বাজারে বাংলাদেশের আরও বৈচিত্র্যময় কৃষিজাত পণ্যের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে দূতাবাস কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।
বাংলাদেশের আলু এখন আন্তর্জাতিক বাজারে গুণমান ও স্বাদে সুনাম অর্জন করেছে। ভিয়েতনামের এই অনুমোদন দেশের কৃষি খাতের জন্য একটি বড় অগ্রগতি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নতুন এই বাজার কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাবে এবং কৃষি পণ্যের রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন