মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় অটোরিকশা দখলের লোভে বন্ধুকে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তবে ঘটনার কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও নিহতের বিচ্ছিন্ন মস্তক এখনো উদ্ধার হয়নি। শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে আয়োজিত এক খবর ব্রিফিংয়ে পিবিআই মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, নিহত রফিক মিয়ার বিচ্ছিন্ন মস্তক উদ্ধারে অভিযান চালানো হলেও এখনো তা পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সহায়তায় নদীতে উদ্ধার অভিযান চলছে। আটক ব্যক্তিরা হলেন রিপন (৩০), আরমান হোসেন (২০) ও সজিব (২৫)। শনিবার দুপুরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী গ্রামের অটোরিকশাচালক রফিক মিয়া (২৮) কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। গত ২৪ মার্চ রাতে গাঁজা সেবনের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে একটি অটোরিকশায় করে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের পাছবারইল এলাকার কালীগঙ্গা নদীর পাড়ে নিয়ে যান তাঁর পরিচিত রিপন, আরমান ও সজিব। সেখানে নিয়ে প্রথমে আরমান হাতুড়ি দিয়ে রফিকের মাথায় আঘাত করেন। পরে রিপন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে হত্যা করেন। এ সময় সজিবসহ অন্যরা তাঁকে ধরে রাখেন বলে জানিয়েছে পিবিআই। হত্যার পর মরদেহ কালীগঙ্গা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে মরদেহ ভেসে উঠলে তা তীরে ফেলে রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা। রফিকের অটোরিকশা নিয়ে রিপন ঢাকার ধামরাই উপজেলার কালামপুর এলাকায় চলে যান। ২৫ মার্চ বিকেলে নদী থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর তদন্ত শুরু করে পিবিআই। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। ২৬ মার্চ ধামরাইয়ের কালামপুর এলাকা থেকে রিপনকে আটক করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অটোরিকশা উদ্ধার করা হয় এবং পরে আরমান ও সজিবকেও আটক করা হয়। পিবিআই জানায়, ২৭ মার্চ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সহায়তায় নদীতে উদ্ধার অভিযান চালিয়েও বিচ্ছিন্ন মস্তক পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পিবিআই বলছে, ঘটনার পূর্ণ রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় অটোরিকশা দখলের লোভে বন্ধুকে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তবে ঘটনার কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও নিহতের বিচ্ছিন্ন মস্তক এখনো উদ্ধার হয়নি। শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে আয়োজিত এক খবর ব্রিফিংয়ে পিবিআই মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, নিহত রফিক মিয়ার বিচ্ছিন্ন মস্তক উদ্ধারে অভিযান চালানো হলেও এখনো তা পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সহায়তায় নদীতে উদ্ধার অভিযান চলছে। আটক ব্যক্তিরা হলেন রিপন (৩০), আরমান হোসেন (২০) ও সজিব (২৫)। শনিবার দুপুরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী গ্রামের অটোরিকশাচালক রফিক মিয়া (২৮) কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। গত ২৪ মার্চ রাতে গাঁজা সেবনের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে একটি অটোরিকশায় করে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের পাছবারইল এলাকার কালীগঙ্গা নদীর পাড়ে নিয়ে যান তাঁর পরিচিত রিপন, আরমান ও সজিব। সেখানে নিয়ে প্রথমে আরমান হাতুড়ি দিয়ে রফিকের মাথায় আঘাত করেন। পরে রিপন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে হত্যা করেন। এ সময় সজিবসহ অন্যরা তাঁকে ধরে রাখেন বলে জানিয়েছে পিবিআই। হত্যার পর মরদেহ কালীগঙ্গা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে মরদেহ ভেসে উঠলে তা তীরে ফেলে রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা। রফিকের অটোরিকশা নিয়ে রিপন ঢাকার ধামরাই উপজেলার কালামপুর এলাকায় চলে যান। ২৫ মার্চ বিকেলে নদী থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর তদন্ত শুরু করে পিবিআই। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। ২৬ মার্চ ধামরাইয়ের কালামপুর এলাকা থেকে রিপনকে আটক করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অটোরিকশা উদ্ধার করা হয় এবং পরে আরমান ও সজিবকেও আটক করা হয়। পিবিআই জানায়, ২৭ মার্চ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সহায়তায় নদীতে উদ্ধার অভিযান চালিয়েও বিচ্ছিন্ন মস্তক পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পিবিআই বলছে, ঘটনার পূর্ণ রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন