নওগাঁর আত্রাই উপজেলার কাশিয়াবাড়ী হাটে রাষ্ট্রের জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংবাদে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, হাটের নির্ধারিত খোলা জায়গা দখল করে অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, হাটে জায়গা সংকট থাকা সত্ত্বেও প্রভাব খাটিয়ে স্থায়ী দোকান গড়ে তোলা হচ্ছে। এতেকরে যারা নিয়ম মেনে ব্যবসা করেন তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য থেকে ধারণা করা যায়, আনুষ্ঠানিক অনুমতি না পেয়েও তিনি নির্মাণকাজ এগিয়ে নিচ্ছেন। এ বিষয়ে হাটের ইজারাদারের অবস্থান স্পষ্ট নয়।
রাষ্ট্রের জমি দখল করে কোনো স্থাপনা গড়ে তোলা মানে আইনি ব্যবস্থার প্রতি অবজ্ঞা জানানো। হাট একটি উন্মুক্ত জনপরিসর। সেখানে সব ব্যবসায়ীর সমান সুযোগ থাকার কথা। প্রভাবশালী কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থে জায়গা দখল করলে হাটের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই স্বাভাবিক।
অন্যায় দখলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া না হলে জনমনে অসন্তোষ তৈরি হয়। প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থাও কমে যায়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে অন্যদের মধ্যেও দখলের প্রবণতা বাড়তে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করবে।
জানা গেছে, দখলদারিত্ব অবসানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে শুধু সময় দেওয়া যথেষ্ট নয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। রাষ্ট্রের সম্পত্তি সুরক্ষায় আইন প্রয়োগে কোনো ধরনের শৈথিল্য কাম্য নয়।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার কাশিয়াবাড়ী হাটে রাষ্ট্রের জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংবাদে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, হাটের নির্ধারিত খোলা জায়গা দখল করে অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, হাটে জায়গা সংকট থাকা সত্ত্বেও প্রভাব খাটিয়ে স্থায়ী দোকান গড়ে তোলা হচ্ছে। এতেকরে যারা নিয়ম মেনে ব্যবসা করেন তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য থেকে ধারণা করা যায়, আনুষ্ঠানিক অনুমতি না পেয়েও তিনি নির্মাণকাজ এগিয়ে নিচ্ছেন। এ বিষয়ে হাটের ইজারাদারের অবস্থান স্পষ্ট নয়।
রাষ্ট্রের জমি দখল করে কোনো স্থাপনা গড়ে তোলা মানে আইনি ব্যবস্থার প্রতি অবজ্ঞা জানানো। হাট একটি উন্মুক্ত জনপরিসর। সেখানে সব ব্যবসায়ীর সমান সুযোগ থাকার কথা। প্রভাবশালী কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থে জায়গা দখল করলে হাটের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই স্বাভাবিক।
অন্যায় দখলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া না হলে জনমনে অসন্তোষ তৈরি হয়। প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থাও কমে যায়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে অন্যদের মধ্যেও দখলের প্রবণতা বাড়তে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করবে।
জানা গেছে, দখলদারিত্ব অবসানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে শুধু সময় দেওয়া যথেষ্ট নয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। রাষ্ট্রের সম্পত্তি সুরক্ষায় আইন প্রয়োগে কোনো ধরনের শৈথিল্য কাম্য নয়।

আপনার মতামত লিখুন