কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সেচ পাম্পে এক রাতে দুই কৃষকের দুটি ট্রান্সফরমারের ভেতরের যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গেছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
ট্রান্সফরমারের যন্ত্রাংশ চুরি হওয়া বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি দীর্ঘদিনের একটি চলমান সমস্যারই অংশ। পরিসংখ্যান বলছে, গত কয়েক বছরে এ ধরনের চুরির ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে ঘটছে। এ কারণে কৃষি উৎপাদনের একটি মৌলিক উপকরণ বারবার ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
সেচ পাম্প কৃষকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রান্সফরমার চুরি হলে সেচ বন্ধ হয়ে যায়। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ফসল উৎপাদনে। নতুন ট্রান্সফরমার কেনার বাড়তি খরচ তো আছেই। একজন প্রান্তিক কৃষকের পক্ষে অনেক সময় এই বাড়তি ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক কৃষক ঋণের চাপে পড়েন।
চুরি হওয়া ট্রান্সফরমার গ্রাহককেই নিজ খরচেই পুনঃস্থাপন করতে হয়। দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, কৃষকরা চুরির শিকার হচ্ছেন, আবার ক্ষতির দায়ভারও তাকেই বহন করতে হচ্ছে।
প্রশাসন ও বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ চুরির ঘটনায় মামলা করার কথা বলে। চুরি প্রতিরোধে কৃষকদের সচেতনতার কথা বলা হয়। আমরা জানতে চাইব, চুরি প্রতিরোধে প্রশাসনের পদক্ষেপ কতটা দৃশ্যমান বা কার্যকর। কেবল কৃষককে সচেতন হতে বলে দায়িত্ব সারলে চলে না। মাঠপর্যায়ে নিরাপত্তা জোরদার করা যায় কীভাবে সেটা ভাবতে হবে। নজরদারি বাড়াতে হবে। এজন্য স্থানীয়ভাবে সমন্বিত উদ্যোগ নেয়া জরুরি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহজ শর্তে ট্রান্সফরমার সরবরাহ করা যায় কিনা সেটা ভেবে দেখতে হবে।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সেচ পাম্পে এক রাতে দুই কৃষকের দুটি ট্রান্সফরমারের ভেতরের যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গেছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
ট্রান্সফরমারের যন্ত্রাংশ চুরি হওয়া বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি দীর্ঘদিনের একটি চলমান সমস্যারই অংশ। পরিসংখ্যান বলছে, গত কয়েক বছরে এ ধরনের চুরির ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে ঘটছে। এ কারণে কৃষি উৎপাদনের একটি মৌলিক উপকরণ বারবার ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
সেচ পাম্প কৃষকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রান্সফরমার চুরি হলে সেচ বন্ধ হয়ে যায়। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ফসল উৎপাদনে। নতুন ট্রান্সফরমার কেনার বাড়তি খরচ তো আছেই। একজন প্রান্তিক কৃষকের পক্ষে অনেক সময় এই বাড়তি ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক কৃষক ঋণের চাপে পড়েন।
চুরি হওয়া ট্রান্সফরমার গ্রাহককেই নিজ খরচেই পুনঃস্থাপন করতে হয়। দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, কৃষকরা চুরির শিকার হচ্ছেন, আবার ক্ষতির দায়ভারও তাকেই বহন করতে হচ্ছে।
প্রশাসন ও বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ চুরির ঘটনায় মামলা করার কথা বলে। চুরি প্রতিরোধে কৃষকদের সচেতনতার কথা বলা হয়। আমরা জানতে চাইব, চুরি প্রতিরোধে প্রশাসনের পদক্ষেপ কতটা দৃশ্যমান বা কার্যকর। কেবল কৃষককে সচেতন হতে বলে দায়িত্ব সারলে চলে না। মাঠপর্যায়ে নিরাপত্তা জোরদার করা যায় কীভাবে সেটা ভাবতে হবে। নজরদারি বাড়াতে হবে। এজন্য স্থানীয়ভাবে সমন্বিত উদ্যোগ নেয়া জরুরি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহজ শর্তে ট্রান্সফরমার সরবরাহ করা যায় কিনা সেটা ভেবে দেখতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন