ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে দেশে প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার কুমিল্লা, রাঙামাটি ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন বেশ কয়েকজন, আহত হয়েছেন অনেকে। এগুলোকে বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা বলবার উপায় নেই, এসব দুর্ঘটনা দেশের সড়কে বিদ্যমান একটি বড় সংকটের অংশ।
বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী, ঈদের সাত দিনের ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শতাধিক মানুষ মারা গেছেন। যদিও প্রাণহানির সংখ্যা নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের মধ্যে বড় ব্যবধান রয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, এই পার্থক্যের কারণ কী? এখানে কি তথ্য ব্যবস্থাপনায় কোনো দুর্বলতা বা ঘাটতি আছে। কোনো কোনো বড় দুর্ঘটনাও সরকারি হিসাবে স্থান পায়নি। এটা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সরকারের কাছে সঠিক তথ্য না থাকলে তাদের পক্ষে কার্যকর নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়ে।
পুলিশের এক গবেষণায় দেখা গেছে, সড়কে অধিকাংশ দুর্ঘটনার জন্য বেপরোয়া গাড়ি চালানো দায়ী। চালকদের দীর্ঘ কর্মঘণ্টা ও ক্লান্তি একটি বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে গবেষণায়। সড়কের দুর্বল অবকাঠামো, পথচারীর নিরাপদ পারাপারের অভাব এবং যানবাহনের ত্রুটিও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। সড়ক দুর্ঘটনা বহুমাত্রিক সমস্যা। কাজেই এর সমাধানে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।
কেবল যে ঈদের সময় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে তা নয়। এটা সারা বছরের সমস্যা। ঈদে সেই সমস্যাই যেন প্রকট রূপ ধারণ করে। কেবল বিশেষ দিনগুলোতে সড়ক নিরাপত্তায় মনোযোগ দিলে সমস্যার টেকসই সমাধান হবে না। সড়ককে নিরাপদ করতে বহুমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে। চালকদের জন্য নির্ধারিত কর্মঘণ্টা নিশ্চিত করা দরকার। সড়কে আইন প্রয়োগ করতে হবে কঠোরভাবে। সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। সড়ক নিরাপত্তা জননিরাপত্তার একটি মৌলিক প্রশ্ন। একে কোনোমতেই উপেক্ষা করা চলে না।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে দেশে প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার কুমিল্লা, রাঙামাটি ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন বেশ কয়েকজন, আহত হয়েছেন অনেকে। এগুলোকে বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা বলবার উপায় নেই, এসব দুর্ঘটনা দেশের সড়কে বিদ্যমান একটি বড় সংকটের অংশ।
বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী, ঈদের সাত দিনের ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শতাধিক মানুষ মারা গেছেন। যদিও প্রাণহানির সংখ্যা নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের মধ্যে বড় ব্যবধান রয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, এই পার্থক্যের কারণ কী? এখানে কি তথ্য ব্যবস্থাপনায় কোনো দুর্বলতা বা ঘাটতি আছে। কোনো কোনো বড় দুর্ঘটনাও সরকারি হিসাবে স্থান পায়নি। এটা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সরকারের কাছে সঠিক তথ্য না থাকলে তাদের পক্ষে কার্যকর নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়ে।
পুলিশের এক গবেষণায় দেখা গেছে, সড়কে অধিকাংশ দুর্ঘটনার জন্য বেপরোয়া গাড়ি চালানো দায়ী। চালকদের দীর্ঘ কর্মঘণ্টা ও ক্লান্তি একটি বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে গবেষণায়। সড়কের দুর্বল অবকাঠামো, পথচারীর নিরাপদ পারাপারের অভাব এবং যানবাহনের ত্রুটিও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। সড়ক দুর্ঘটনা বহুমাত্রিক সমস্যা। কাজেই এর সমাধানে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।
কেবল যে ঈদের সময় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে তা নয়। এটা সারা বছরের সমস্যা। ঈদে সেই সমস্যাই যেন প্রকট রূপ ধারণ করে। কেবল বিশেষ দিনগুলোতে সড়ক নিরাপত্তায় মনোযোগ দিলে সমস্যার টেকসই সমাধান হবে না। সড়ককে নিরাপদ করতে বহুমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে। চালকদের জন্য নির্ধারিত কর্মঘণ্টা নিশ্চিত করা দরকার। সড়কে আইন প্রয়োগ করতে হবে কঠোরভাবে। সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। সড়ক নিরাপত্তা জননিরাপত্তার একটি মৌলিক প্রশ্ন। একে কোনোমতেই উপেক্ষা করা চলে না।

আপনার মতামত লিখুন