গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি কাটা পুরুষাঙ্গও পাওয়া গেছে, যা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের ঢোলভাঙ্গা এলাকার পার আমলাগাছী গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত এক সেনাসদস্যের ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত কবিতা বেগম (২৫) সাদুল্লাপুর উপজেলার বড় গোপালপুর গ্রামের বকু মিয়ার মেয়ে এবং ঈদিলপুর ইউনিয়নের চকভগবানপুর গ্রামের হারুন মিয়ার স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই বাসার একটি কক্ষে বিছানার ওপর কবিতা বেগমের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। একই সময় বাড়ির উঠান থেকে একটি কাটা পুরুষাঙ্গ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, কবিতা তাঁর স্বামী হারুন ও এক সন্তানকে নিয়ে ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। কয়েক দিন আগে কবিতা সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে যান। পরে শুক্রবার রাতে স্বামী হারুন তাঁকে আবার ভাড়া বাসায় নিয়ে আসেন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
স্থানীয়দের দাবি, পারিবারিক বিরোধ ও পরকীয়ার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী হারুন, তাঁর বোন ও ভগ্নিপতি পলাতক রয়েছেন।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরওয়ারে আলম খান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি কাটা পুরুষাঙ্গও পাওয়া গেছে, যা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের ঢোলভাঙ্গা এলাকার পার আমলাগাছী গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত এক সেনাসদস্যের ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত কবিতা বেগম (২৫) সাদুল্লাপুর উপজেলার বড় গোপালপুর গ্রামের বকু মিয়ার মেয়ে এবং ঈদিলপুর ইউনিয়নের চকভগবানপুর গ্রামের হারুন মিয়ার স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই বাসার একটি কক্ষে বিছানার ওপর কবিতা বেগমের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। একই সময় বাড়ির উঠান থেকে একটি কাটা পুরুষাঙ্গ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, কবিতা তাঁর স্বামী হারুন ও এক সন্তানকে নিয়ে ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। কয়েক দিন আগে কবিতা সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে যান। পরে শুক্রবার রাতে স্বামী হারুন তাঁকে আবার ভাড়া বাসায় নিয়ে আসেন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
স্থানীয়দের দাবি, পারিবারিক বিরোধ ও পরকীয়ার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী হারুন, তাঁর বোন ও ভগ্নিপতি পলাতক রয়েছেন।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরওয়ারে আলম খান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন