সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

গাইবান্ধা পুলিশের ওপর হামলায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার জামায়াতের


প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬

গাইবান্ধা পুলিশের ওপর হামলায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার জামায়াতের
ছবি : সংগৃহীত

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় পুলিশের ওপর হামলা ও জামায়াতে ইসলামীকে দায়ী করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে সংগঠনটির জেলা শাখা।

শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে জেলা জামায়াতের আমির ও গাইবান্ধা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল করিম এবং জেলা সেক্রেটারি মাওলানা জহুরুল হক এ বিবৃতি দেন।

বিবৃতিতে নেতারা জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে পারিবারিক একটি সমস্যা নিয়ে জামায়াত ও এর অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মী পলাশবাড়ী থানায় যান। সেখানে উপস্থিত পুলিশের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। তবে বিষয়টি সম্পর্কে জামায়াত সাংগঠনিকভাবে অবগত ছিল না। নেতারা বলেন, কোনো ব্যক্তির নিজস্ব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা তার ব্যক্তিগত অধিকার এবং এতে দলের হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই।

যৌথ বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, একটি মহল জামায়াতে ইসলামীর আদর্শিক কার্যক্রমে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই দিনের ব্যক্তিগত ঘটনাকে সরাসরি সংগঠনের ওপর চাপিয়ে দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

বিষয়টিকে জামায়াতের ওপর চাপানোকে ‘অমানবিক কাজ’ হিসেবে উল্লেখ করে নেতারা বলেন, একটি দল ‘নোংরা রাজনীতি’ করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকা সত্ত্বেও উপজেলা পেশাজীবী পরিষদের সেক্রেটারি মিজানুর রহমান মিজানকে পুলিশ অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করেছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়। এ ছাড়া ওই দিন থানায় উপস্থিত ছিলেন না এমন অনেকের নামও মিথ্যা মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে নেতারা দাবি করেন।

বিবৃতিতে পলাশবাড়ী থানার সেই রাতের সম্পূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি এবং পুলিশি হয়রানি বন্ধের জোর দাবি জানান জেলা জামায়াত নেতারা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬


গাইবান্ধা পুলিশের ওপর হামলায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার জামায়াতের

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় পুলিশের ওপর হামলা ও জামায়াতে ইসলামীকে দায়ী করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে সংগঠনটির জেলা শাখা।

শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে জেলা জামায়াতের আমির ও গাইবান্ধা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল করিম এবং জেলা সেক্রেটারি মাওলানা জহুরুল হক এ বিবৃতি দেন।

বিবৃতিতে নেতারা জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে পারিবারিক একটি সমস্যা নিয়ে জামায়াত ও এর অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মী পলাশবাড়ী থানায় যান। সেখানে উপস্থিত পুলিশের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। তবে বিষয়টি সম্পর্কে জামায়াত সাংগঠনিকভাবে অবগত ছিল না। নেতারা বলেন, কোনো ব্যক্তির নিজস্ব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা তার ব্যক্তিগত অধিকার এবং এতে দলের হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই।

যৌথ বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, একটি মহল জামায়াতে ইসলামীর আদর্শিক কার্যক্রমে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই দিনের ব্যক্তিগত ঘটনাকে সরাসরি সংগঠনের ওপর চাপিয়ে দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

বিষয়টিকে জামায়াতের ওপর চাপানোকে ‘অমানবিক কাজ’ হিসেবে উল্লেখ করে নেতারা বলেন, একটি দল ‘নোংরা রাজনীতি’ করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকা সত্ত্বেও উপজেলা পেশাজীবী পরিষদের সেক্রেটারি মিজানুর রহমান মিজানকে পুলিশ অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করেছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়। এ ছাড়া ওই দিন থানায় উপস্থিত ছিলেন না এমন অনেকের নামও মিথ্যা মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে নেতারা দাবি করেন।

বিবৃতিতে পলাশবাড়ী থানার সেই রাতের সম্পূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি এবং পুলিশি হয়রানি বন্ধের জোর দাবি জানান জেলা জামায়াত নেতারা।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত