মাদারীপুরের রাজৈরে মালয়েশিয়া প্রবাসী শিপন মোল্লার স্ত্রী রুমি বেগমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, শশুরবাড়ির লোকেরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে লাশ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে।
শনিবার (২৬ মার্চ) সকালে রাজৈর উপজেলার শাখারপাড় গাঙ্গকান্দি গ্রাম থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রুমি বেগমের বয়স ২৯ বছর। তিনি ওই গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা হালিম মোল্লার পুত্র শিপন মোল্লার স্ত্রী। ২০১২ সালে তাদের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ১২ বছর ও চার বছর বয়সী দুই মেয়ে এবং তিন বছর বয়সী এক ছেলে রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রুমি বেগমের সঙ্গে শশুরবাড়ির লোকজনের প্রায়ই পারিবারিক কলহ লেগে থাকত। এ নিয়ে নানা সময়ে অশান্তি হতো।
নিহতের বড় বোন সুমি আক্তার অভিযোগ করে বলেন, ‘বিয়ের পর থেকেই ওরা আমার বোনকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত। গতকাল রাত ১০টার দিকে ওর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ও কিভাবে আত্মহত্যা করবে? ওর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের দাগ রয়েছে। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর সঠিক তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।’
রাজৈর থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) কুতুবউদ্দিন আহম্মেদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবার একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
মাদারীপুরের রাজৈরে মালয়েশিয়া প্রবাসী শিপন মোল্লার স্ত্রী রুমি বেগমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, শশুরবাড়ির লোকেরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে লাশ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে।
শনিবার (২৬ মার্চ) সকালে রাজৈর উপজেলার শাখারপাড় গাঙ্গকান্দি গ্রাম থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রুমি বেগমের বয়স ২৯ বছর। তিনি ওই গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা হালিম মোল্লার পুত্র শিপন মোল্লার স্ত্রী। ২০১২ সালে তাদের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ১২ বছর ও চার বছর বয়সী দুই মেয়ে এবং তিন বছর বয়সী এক ছেলে রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রুমি বেগমের সঙ্গে শশুরবাড়ির লোকজনের প্রায়ই পারিবারিক কলহ লেগে থাকত। এ নিয়ে নানা সময়ে অশান্তি হতো।
নিহতের বড় বোন সুমি আক্তার অভিযোগ করে বলেন, ‘বিয়ের পর থেকেই ওরা আমার বোনকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত। গতকাল রাত ১০টার দিকে ওর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ও কিভাবে আত্মহত্যা করবে? ওর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের দাগ রয়েছে। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর সঠিক তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।’
রাজৈর থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) কুতুবউদ্দিন আহম্মেদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবার একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন