সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সেনাপ্রধানের সতর্কতা

সেনা-সংকটে পতনের মুখে ইসরায়েল


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬

সেনা-সংকটে পতনের মুখে ইসরায়েল
ঊর্ধ্বতন কমান্ডারদের সঙ্গে নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ন সংক্রান্ত বৈঠকে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ।

ইরান ও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে চলমান বহুমুখী যুদ্ধের চাপে ইসরায়েল সামরিক বাহিনী ‘ভেতর থেকে পতনের’ কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির। নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে তিনি এ সতর্কতা তুলে ধরেন। ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ অহরোনথের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেনাপ্রধান স্পষ্ট জানিয়েছেন যে সংরক্ষিত বাহিনী ‘টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না’।

জামির তাঁর বক্তব্যে ১০টি ‘লাল সংকেত’ উল্লেখ করে পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, চরমপন্থী ইহুদিদের (হারেদি) সেনাবাহিনীতে নিয়োগ, রিজার্ভ আইনে সংশোধন এবং বাধ্যতামূলক সেবার মেয়াদ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কাঠামোগত সমস্যা সমাধানে সরকার ব্যর্থ হচ্ছে। এর ফলে সামরিক বাহিনীতে তীব্র জনবল সংকট তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী গাজা উপত্যকা, লেবানন, সিরিয়া এবং পশ্চিম তীর- একাধিক ফ্রন্টে একযোগে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। জামির সতর্ক করে বলেন, পশ্চিম তীরে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সেখানে অতিরিক্ত ইউনিট মোতায়েন করতে বাধ্য করেছে। এতে ইতিমধ্যে চাপে থাকা সেনা সদস্যদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সরকার এখনো সঙ্কট নিরসনে প্রয়োজনীয় আইন পাস করতে পারেনি, যা বিদ্যমান বাহিনীর ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁর মূল্যায়নে, শিগগিরই স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেও সামরিক বাহিনী তাদের কার্যভার পালনে অক্ষম হয়ে পড়তে পারে। বর্তমান চাপ অব্যাহত থাকলে ইসরায়েলের সামরিক প্রস্তুতিতে গুরুতর পতন ঘটবে বলে সতর্ক করেছেন সেনাপ্রধান। সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬


সেনা-সংকটে পতনের মুখে ইসরায়েল

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইরান ও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে চলমান বহুমুখী যুদ্ধের চাপে ইসরায়েল সামরিক বাহিনী ‘ভেতর থেকে পতনের’ কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির। নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে তিনি এ সতর্কতা তুলে ধরেন। ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ অহরোনথের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেনাপ্রধান স্পষ্ট জানিয়েছেন যে সংরক্ষিত বাহিনী ‘টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না’।

জামির তাঁর বক্তব্যে ১০টি ‘লাল সংকেত’ উল্লেখ করে পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, চরমপন্থী ইহুদিদের (হারেদি) সেনাবাহিনীতে নিয়োগ, রিজার্ভ আইনে সংশোধন এবং বাধ্যতামূলক সেবার মেয়াদ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কাঠামোগত সমস্যা সমাধানে সরকার ব্যর্থ হচ্ছে। এর ফলে সামরিক বাহিনীতে তীব্র জনবল সংকট তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী গাজা উপত্যকা, লেবানন, সিরিয়া এবং পশ্চিম তীর- একাধিক ফ্রন্টে একযোগে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। জামির সতর্ক করে বলেন, পশ্চিম তীরে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সেখানে অতিরিক্ত ইউনিট মোতায়েন করতে বাধ্য করেছে। এতে ইতিমধ্যে চাপে থাকা সেনা সদস্যদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সরকার এখনো সঙ্কট নিরসনে প্রয়োজনীয় আইন পাস করতে পারেনি, যা বিদ্যমান বাহিনীর ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁর মূল্যায়নে, শিগগিরই স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেও সামরিক বাহিনী তাদের কার্যভার পালনে অক্ষম হয়ে পড়তে পারে। বর্তমান চাপ অব্যাহত থাকলে ইসরায়েলের সামরিক প্রস্তুতিতে গুরুতর পতন ঘটবে বলে সতর্ক করেছেন সেনাপ্রধান। সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত