রোববার সকালে সচিবালয়ে এসে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির বাইরে গিয়ে তিনি হঠাৎ করেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে যান। আজ সকাল ৯টার কিছু পরেই সচিবালয়ে প্রবেশ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে গাড়ি থেকে নেমে প্রথা অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগে নিজের দপ্তরে না গিয়ে সরাসরি হেঁটে ৬ নম্বর ভবনের দিকে এগিয়ে যান। সেখানে তিনি
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন এবং কর্তব্যরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
সঙ্গে কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী ৬ নম্বর ভবনের ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত হেঁটে বিভিন্ন
মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন। একে একে তিনি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়,
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়
এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন।
এরপর তিনি ৫ নম্বর ভবনের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
এবং ৩ নম্বর ভবনের বাণিজ্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
পরিদর্শন করেন। এভাবে অন্তত আটটি মন্ত্রণালয় আকস্মিক পরিদর্শন শেষে তিনি পুনরায় মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগে ফিরে আসেন।
আকস্মিক পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিয়মিত দাপ্তরিক
কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আজকের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে:
সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর এই
আকস্মিক পরিদর্শন বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। প্রশাসনের কাজে গতিশীলতা আনতেই তিনি
এই পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
রোববার সকালে সচিবালয়ে এসে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির বাইরে গিয়ে তিনি হঠাৎ করেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে যান। আজ সকাল ৯টার কিছু পরেই সচিবালয়ে প্রবেশ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে গাড়ি থেকে নেমে প্রথা অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগে নিজের দপ্তরে না গিয়ে সরাসরি হেঁটে ৬ নম্বর ভবনের দিকে এগিয়ে যান। সেখানে তিনি
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন এবং কর্তব্যরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
সঙ্গে কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী ৬ নম্বর ভবনের ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত হেঁটে বিভিন্ন
মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন। একে একে তিনি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়,
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়
এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন।
এরপর তিনি ৫ নম্বর ভবনের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
এবং ৩ নম্বর ভবনের বাণিজ্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
পরিদর্শন করেন। এভাবে অন্তত আটটি মন্ত্রণালয় আকস্মিক পরিদর্শন শেষে তিনি পুনরায় মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগে ফিরে আসেন।
আকস্মিক পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিয়মিত দাপ্তরিক
কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আজকের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে:
সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর এই
আকস্মিক পরিদর্শন বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। প্রশাসনের কাজে গতিশীলতা আনতেই তিনি
এই পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন