নির্বাচিত চেয়ারম্যান না থাকায় দীর্ঘদিন থেকে সরকারি কর্মকর্তাকে প্রশাসকের দায়িত্ব দিয়ে চলছে সিলেট জেলা পরিষদের কার্যক্রম। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর অন্যান্য জায়গার মত নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রাজনীতিবিদ আবুল কাহের চৌধুরী শামীম। তিনি সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। দায়িত্ব গ্রহণের পর তার পরিকল্পনা, অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন সংবাদ-এর নিজস্ব বার্তা পরিবেশক আকাশ চৌধুরীর সাথে।
সংবাদ: দীর্ঘদিন পর জেলা পরিষদে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। আপনার অনুভূতি কী?
আবুল কাহের চৌধুরী: ধন্যবাদ। সিলেট জেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য সম্মানের বিষয়। আমি এটিকে জনগণের সেবা করার একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছি এবং সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করব।
সংবাদ: জেলা পরিষদের উন্নয়নমূলক কাজগুলো এগিয়ে নিতে আপনার প্রধান পরিকল্পনা কী?
কাহের চৌধুরী: আমার মূল লক্ষ্য হবে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা এবং নতুন করে জনবান্ধব প্রকল্প গ্রহণ করা। বিশেষ করে গ্রামীণ অবকাঠামো, সড়ক উন্নয়ন এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সংবাদ: হাটবাজার ইজারা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনার জন্য কী উদ্যোগ নেবেন?
কাহের চৌধুরী: হাটবাজার ইজারা একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎস। এখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আধুনিক পদ্ধতি ও নিয়ম মেনে ইজারা প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হবে, যাতে সরকার ও জনগণ উভয়ই উপকৃত হয়।
সংবাদ: সাধারণ মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে জেলা পরিষদকে কীভাবে আরও কার্যকর করবেন?
কাহের চৌধুরী: জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। এজন্য অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা জোরদার করা হবে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হবে।
সংবাদ: দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে আপনার অবস্থান কী?
কাহের চৌধুরী: দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার অবস্থান জিরো টলারেন্স। যে কোনো অনিয়ম কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি করা হবে।
সংবাদ: সিলেটের সার্বিক উন্নয়নে আপনার দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা কী?
কাহের চৌধুরী: সিলেটকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত জেলা হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য। টেকসই উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা একটি উন্নত সিলেট গড়ে তুলতে চাই।
সংবাদ: সিলেটবাসীর প্রতি আপনার কোনো বার্তা?
কাহের চৌধুরী: আমি সবার সহযোগিতা কামনা করছি। জনগণের মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে আমরা একসাথে কাজ করতে চাই, যাতে সিলেট জেলা পরিষদ সত্যিকার অর্থেই জনকল্যাণে কাজ করতে পারে।
সংবাদ: সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
কাহের চৌধুরী: সংবাদ এবং আপনাকেও ধন্যবাদ।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
নির্বাচিত চেয়ারম্যান না থাকায় দীর্ঘদিন থেকে সরকারি কর্মকর্তাকে প্রশাসকের দায়িত্ব দিয়ে চলছে সিলেট জেলা পরিষদের কার্যক্রম। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর অন্যান্য জায়গার মত নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রাজনীতিবিদ আবুল কাহের চৌধুরী শামীম। তিনি সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। দায়িত্ব গ্রহণের পর তার পরিকল্পনা, অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন সংবাদ-এর নিজস্ব বার্তা পরিবেশক আকাশ চৌধুরীর সাথে।
সংবাদ: দীর্ঘদিন পর জেলা পরিষদে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। আপনার অনুভূতি কী?
আবুল কাহের চৌধুরী: ধন্যবাদ। সিলেট জেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য সম্মানের বিষয়। আমি এটিকে জনগণের সেবা করার একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছি এবং সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করব।
সংবাদ: জেলা পরিষদের উন্নয়নমূলক কাজগুলো এগিয়ে নিতে আপনার প্রধান পরিকল্পনা কী?
কাহের চৌধুরী: আমার মূল লক্ষ্য হবে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা এবং নতুন করে জনবান্ধব প্রকল্প গ্রহণ করা। বিশেষ করে গ্রামীণ অবকাঠামো, সড়ক উন্নয়ন এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সংবাদ: হাটবাজার ইজারা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনার জন্য কী উদ্যোগ নেবেন?
কাহের চৌধুরী: হাটবাজার ইজারা একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎস। এখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আধুনিক পদ্ধতি ও নিয়ম মেনে ইজারা প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হবে, যাতে সরকার ও জনগণ উভয়ই উপকৃত হয়।
সংবাদ: সাধারণ মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে জেলা পরিষদকে কীভাবে আরও কার্যকর করবেন?
কাহের চৌধুরী: জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। এজন্য অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা জোরদার করা হবে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হবে।
সংবাদ: দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে আপনার অবস্থান কী?
কাহের চৌধুরী: দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার অবস্থান জিরো টলারেন্স। যে কোনো অনিয়ম কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি করা হবে।
সংবাদ: সিলেটের সার্বিক উন্নয়নে আপনার দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা কী?
কাহের চৌধুরী: সিলেটকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত জেলা হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য। টেকসই উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা একটি উন্নত সিলেট গড়ে তুলতে চাই।
সংবাদ: সিলেটবাসীর প্রতি আপনার কোনো বার্তা?
কাহের চৌধুরী: আমি সবার সহযোগিতা কামনা করছি। জনগণের মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে আমরা একসাথে কাজ করতে চাই, যাতে সিলেট জেলা পরিষদ সত্যিকার অর্থেই জনকল্যাণে কাজ করতে পারে।
সংবাদ: সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
কাহের চৌধুরী: সংবাদ এবং আপনাকেও ধন্যবাদ।

আপনার মতামত লিখুন