সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় যাদুকাটা নদীর পাড় ধসে লিয়াকত আলী (৩৯) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) ভোর ৬টার দিকে যাদুকাটা নদীর পশ্চিম পাড়ের বাদাঘাট ইউনিয়নের ঘাগটিয়া-ঝালরটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত লিয়াকত আলী বিশ্বম্ভপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের সিরাজপুর গ্রামের মৃত আবদুল কুদ্দুসের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে ঘাগটিয়া গ্রামের বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদের ছেলে তালহা (৩২), ভাতিজা তানশি (২৯) ও একই গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে শাহ মান্নার (২৮)-এর নেতৃত্বে একটি জোগাল (বেশ কয়েকটি ছোট নৌকার সমষ্টি) অবৈধভাবে নদীর পাড় কেটে বালু তুলছিল। এ সময় হঠাৎ পাড় ভেঙে বালু পড়ে লিয়াকত আলীর ওপর।
লিয়াকতের সহকর্মীরা প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টার পর বালুর নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে মরদেহ সিরাজপুর গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত তানশি বলেন, ‘জায়গাটা আমার না। এটা মুশালমের জায়গা। আমরা কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই।’
তালহা বলেন, ‘বিএনপি সরকারে থাকায় কিছু না করলেও বিএনপি করায় আমাদের নাম চলে আসে। জায়গাটা মুশালমের। গতকাল বাঁশের মোড়া পাড়ে রেখেছে মুশালম। ওই মোড়ার চাপেই পাড় ভেঙেছে।’
অপরদিকে মুশালম বলেন, ‘আমার জায়গার ওপর অভিযোগ আসছে। ৫ আগস্টের পর থেকে আমি নদীর পাড়েই যেতে পারি না। তালহা জোরজুলুম করে জায়গাটা দখল করতে চাচ্ছে। বাঁচার জন্য এখন আমার নাম বলছে তারা।’
তাহিরপুর থানার ওসি আমিনুর ইসলাম বলেন, ‘আমাকে এ বিষয়ে কেউ জানাননি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এলাকাবাসী অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় যাদুকাটা নদীর পাড় ধসে লিয়াকত আলী (৩৯) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) ভোর ৬টার দিকে যাদুকাটা নদীর পশ্চিম পাড়ের বাদাঘাট ইউনিয়নের ঘাগটিয়া-ঝালরটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত লিয়াকত আলী বিশ্বম্ভপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের সিরাজপুর গ্রামের মৃত আবদুল কুদ্দুসের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে ঘাগটিয়া গ্রামের বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদের ছেলে তালহা (৩২), ভাতিজা তানশি (২৯) ও একই গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে শাহ মান্নার (২৮)-এর নেতৃত্বে একটি জোগাল (বেশ কয়েকটি ছোট নৌকার সমষ্টি) অবৈধভাবে নদীর পাড় কেটে বালু তুলছিল। এ সময় হঠাৎ পাড় ভেঙে বালু পড়ে লিয়াকত আলীর ওপর।
লিয়াকতের সহকর্মীরা প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টার পর বালুর নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে মরদেহ সিরাজপুর গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত তানশি বলেন, ‘জায়গাটা আমার না। এটা মুশালমের জায়গা। আমরা কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই।’
তালহা বলেন, ‘বিএনপি সরকারে থাকায় কিছু না করলেও বিএনপি করায় আমাদের নাম চলে আসে। জায়গাটা মুশালমের। গতকাল বাঁশের মোড়া পাড়ে রেখেছে মুশালম। ওই মোড়ার চাপেই পাড় ভেঙেছে।’
অপরদিকে মুশালম বলেন, ‘আমার জায়গার ওপর অভিযোগ আসছে। ৫ আগস্টের পর থেকে আমি নদীর পাড়েই যেতে পারি না। তালহা জোরজুলুম করে জায়গাটা দখল করতে চাচ্ছে। বাঁচার জন্য এখন আমার নাম বলছে তারা।’
তাহিরপুর থানার ওসি আমিনুর ইসলাম বলেন, ‘আমাকে এ বিষয়ে কেউ জানাননি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এলাকাবাসী অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন