দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষিতে দেখা দিয়েছে নতুন সংকট। সেচ পাম্পের জ্বালানি ডিজেলের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে বোরো ধানের আবাদ। বিশেষ করে সাতক্ষীরা জেলায় সেচ সংকটে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন কৃষকরা।
শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরার মাঠজুড়ে এখন বোরো আবাদের মৌসুম। কিন্তু সময়মতো সেচ দিতে না পারায় জমি শুকিয়ে যাচ্ছে। ডিজেলের অভাবে বন্ধ হয়ে পড়েছে অনেক সেচ পাম্প।
সাতক্ষীরার জেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ৮২ হাজার ৭৩৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে।
কৃষকেরা বলছেন, ডিজেল পাচ্ছেন না। ফলে জমিতে পানি দিতে পারছেন না। তারা আশঙ্কা করছেন, এতে কাঙ্ক্ষিত ফলন ঘরে তুলতে পারবেন না। পাম্পে গেলে এক লিটার করে তেল দেওয়া হচ্ছে, যা দিয়ে ঠিকমতো সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এতে বোরো ধানের উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে।
শেষ সময়ে এসে ডিজেলের অভাবে সেচ দিতে না পারায় চাষে বড় ধাক্কা খেতে হবে বলে জানিয়েছেন এক কৃষক। চলতি বোরো মৌসুমে যাতে ধান উৎপাদন ব্যাহত না হয়, সেজন্য কৃষকদের জন্য বাড়তি ডিজেল বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দ্রুত ডিজেল সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে বোরো উৎপাদনে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। চাষাবাদের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ডিজেল সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি কৃষকদের। অন্যথায় খাদ্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জেলা খামারবাড়ির উপপরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।’
ডিজেল সংকটের কারণে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সাতক্ষীরার কৃষকেরা। দ্রুত সংকট নিরসনের দাবি তাদের।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষিতে দেখা দিয়েছে নতুন সংকট। সেচ পাম্পের জ্বালানি ডিজেলের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে বোরো ধানের আবাদ। বিশেষ করে সাতক্ষীরা জেলায় সেচ সংকটে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন কৃষকরা।
শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরার মাঠজুড়ে এখন বোরো আবাদের মৌসুম। কিন্তু সময়মতো সেচ দিতে না পারায় জমি শুকিয়ে যাচ্ছে। ডিজেলের অভাবে বন্ধ হয়ে পড়েছে অনেক সেচ পাম্প।
সাতক্ষীরার জেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ৮২ হাজার ৭৩৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে।
কৃষকেরা বলছেন, ডিজেল পাচ্ছেন না। ফলে জমিতে পানি দিতে পারছেন না। তারা আশঙ্কা করছেন, এতে কাঙ্ক্ষিত ফলন ঘরে তুলতে পারবেন না। পাম্পে গেলে এক লিটার করে তেল দেওয়া হচ্ছে, যা দিয়ে ঠিকমতো সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এতে বোরো ধানের উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে।
শেষ সময়ে এসে ডিজেলের অভাবে সেচ দিতে না পারায় চাষে বড় ধাক্কা খেতে হবে বলে জানিয়েছেন এক কৃষক। চলতি বোরো মৌসুমে যাতে ধান উৎপাদন ব্যাহত না হয়, সেজন্য কৃষকদের জন্য বাড়তি ডিজেল বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দ্রুত ডিজেল সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে বোরো উৎপাদনে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। চাষাবাদের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ডিজেল সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি কৃষকদের। অন্যথায় খাদ্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জেলা খামারবাড়ির উপপরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।’
ডিজেল সংকটের কারণে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সাতক্ষীরার কৃষকেরা। দ্রুত সংকট নিরসনের দাবি তাদের।

আপনার মতামত লিখুন