মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক মামলায় ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ ও সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশনের সাবেক জিওসি লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আগামী ৭ এপ্রিল হাজিরের নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
রোববার (২৯ মার্চ) এ নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। এক-এগারোর সময়ের বিতর্কিত ভূমিকা এবং পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম, খুন ও কুখ্যাত ‘আয়নাঘর’সহ বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এই দুই সাবেক সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট (Shown Arrest) দেখানোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন।
আদালতে শুনানির সময় চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বিস্তারিত যুক্তি তুলে ধরে জানান, এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে গুম ও খুনের মতো গুরুতর অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। বিশেষ করে শেখ মামুন খালেদকে গুমের মামলায় এবং মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে ফেনীতে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।
প্রসিকিউশন দাবি করেছে, এক-এগারো পরবর্তী সময় থেকে শুরু করে বিগত সরকারের আমল পর্যন্ত তারা সাধারণ মানুষকে নির্যাতন করার জন্য ‘আয়নাঘর’ ও ‘সেফ হাউস’ পরিচালনার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন।
তদন্তের স্বার্থে সব তথ্য প্রকাশ না করলেও প্রসিকিউশন নিশ্চিত করেছে, তাদের অতীত ও বর্তমানের সকল কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক এখতিয়ারভুক্ত।
শুনানি শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম অত্যন্ত কড়া ভাষায় জানান, তৎকালীন সরকারের দেওয়া কোনো তথাকথিত ‘দায়মুক্তি’ বা ইনডেমনিটি এই বিচারিক প্রক্রিয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।
তিনি স্পষ্ট করেন, ট্রাইব্যুনাল সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিষ্ঠিত হলে কোনো বিশেষ আইনি সুরক্ষা আসামিদের বাঁচাতে পারবে না। বর্তমানে অন্য মামলায় রিমান্ড বা পুলিশ হেফাজতে থাকা এই দুই কর্মকর্তাকে আগামী ৭ এপ্রিল সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য জেল কর্তৃপক্ষকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক মামলায় ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ ও সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশনের সাবেক জিওসি লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আগামী ৭ এপ্রিল হাজিরের নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
রোববার (২৯ মার্চ) এ নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। এক-এগারোর সময়ের বিতর্কিত ভূমিকা এবং পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম, খুন ও কুখ্যাত ‘আয়নাঘর’সহ বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এই দুই সাবেক সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট (Shown Arrest) দেখানোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন।
আদালতে শুনানির সময় চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বিস্তারিত যুক্তি তুলে ধরে জানান, এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে গুম ও খুনের মতো গুরুতর অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। বিশেষ করে শেখ মামুন খালেদকে গুমের মামলায় এবং মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে ফেনীতে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।
প্রসিকিউশন দাবি করেছে, এক-এগারো পরবর্তী সময় থেকে শুরু করে বিগত সরকারের আমল পর্যন্ত তারা সাধারণ মানুষকে নির্যাতন করার জন্য ‘আয়নাঘর’ ও ‘সেফ হাউস’ পরিচালনার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন।
তদন্তের স্বার্থে সব তথ্য প্রকাশ না করলেও প্রসিকিউশন নিশ্চিত করেছে, তাদের অতীত ও বর্তমানের সকল কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক এখতিয়ারভুক্ত।
শুনানি শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম অত্যন্ত কড়া ভাষায় জানান, তৎকালীন সরকারের দেওয়া কোনো তথাকথিত ‘দায়মুক্তি’ বা ইনডেমনিটি এই বিচারিক প্রক্রিয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।
তিনি স্পষ্ট করেন, ট্রাইব্যুনাল সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিষ্ঠিত হলে কোনো বিশেষ আইনি সুরক্ষা আসামিদের বাঁচাতে পারবে না। বর্তমানে অন্য মামলায় রিমান্ড বা পুলিশ হেফাজতে থাকা এই দুই কর্মকর্তাকে আগামী ৭ এপ্রিল সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য জেল কর্তৃপক্ষকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন